গভীর রাতে ভারতের সিকিম ও দার্জিলিং অঞ্চল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। কম্পনের প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চল ছাড়াও বাংলাদেশের কয়েকটি জেলায় অনুভূত হয়েছে। কেন্দ্রস্থল সিকিম রাজ্যের ভেতরে হওয়ায় সেখানে কম্পনের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল।
গভীর রাতে ভারতের সিকিম ও দার্জিলিং অঞ্চল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। কম্পনের প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চল ছাড়াও বাংলাদেশের কয়েকটি জেলায় অনুভূত হয়েছে। কেন্দ্রস্থল সিকিম রাজ্যের ভেতরে হওয়ায় সেখানে কম্পনের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল।গভীর রাতে ভারতের সিকিম ও দার্জিলিং অঞ্চল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। কম্পনের প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চল ছাড়াও বাংলাদেশের কয়েকটি জেলায় অনুভূত হয়েছে। কেন্দ্রস্থল সিকিম রাজ্যের ভেতরে হওয়ায় সেখানে কম্পনের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল।
ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১টা ৩৯ মিনিট থেকে ২টা ৩ মিনিটের মধ্যে তিনটি পরপর কম্পন অনুভূত হয়। প্রথম ও সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। এর উৎপত্তিস্থল সিকিমের গেয়ালশিং এলাকায়, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। পরবর্তী দুটি কম্পনের মাত্রা যথাক্রমে ৩.৫ ও ২.২ রেকর্ড করা হয়।
সিকিমের গ্যাংটক, লাচেন, পেলিং, মঙ্গন ও পাকইয়ংসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং ও মিরিকেও কেঁপে ওঠে। সমতলের দিকে শিলিগুড়ি ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অংশে মৃদু কম্পনের খবর পাওয়া গেছে।
ভূমিকম্পের প্রভাব ভারতের সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়ে। রংপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, দিনাজপুর, রাজশাহী ও নওগাঁসহ উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় হালকা কম্পন অনুভূত হয়। পাশাপাশি নেপালের কিছু অংশেও কম্পনের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে।
যদিও ভূমিকম্পগুলো স্বল্প সময়ের জন্য স্থায়ী ছিল এবং এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবু মধ্যরাতে একাধিক কম্পনে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ঘুম ভেঙে নিরাপদ স্থানে বেরিয়ে আসেন।