পতিত ফ্যাসিবাদী আমলে একদেশদর্শী পররাষ্ট্রনীতিই ছিলো রাষ্ট্রের মূলনীতি। শুধুমাত্র ভারত তোষণ করতে গিয়ে আওয়ামী বাকশালীরা দেশকে কূটনৈতিকভাবে একঘরে করে ফেলেছিলো।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। নাগরিকের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা, অপরাধ দমন এবং জনশৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের ভূমিকা অপরিহার্য। কিন্তু একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি মৌলিক নীতি হলো, রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানই জবাবদিহির ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না।
মাঝে মাঝে বয়স নিয়ে প্রশ্ন জাগে। সেটা হতে পারে ব্যক্তির বয়স, এমন কি সংগঠনের বয়সও। মোদিজীর তো বয়স বাড়ছে, বয়স বাড়ছে বিজিপি সরকারেরও। বয়স বাড়লে স্মৃতিশক্তি কমতে পারে, তাই বলে চক্ষুলজ্জাও?
ফিলিস্তিনিরা বর্তমান সভ্যতায় মজলুম জনগোষ্ঠীর প্রতীক। গাজায় এবার ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর নিহত হয়েছেন ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন প্রায় দুই লাখ। নিখোঁজের সংখ্যা ১১ হাজার ২০০।
ভারত বিশ্বের এমন এক ব্যতিক্রমী রাষ্ট্র যে, কোন প্রতিবেশির সাথেই সুসম্পর্ক নেই দেশটির। বৃহৎ শক্তি তো নয়ই; বরং ক্ষুদ্র প্রতিবেশীর সাথেও দেশটি কখনো ইতিবাচক সম্পর্ক রক্ষা করে চলতে পারে নি। চিরবৈরী পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক তো একেবারে বলাই বাহুল্য।
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার ব্যবস্থার ওপর নাগরিকদের আস্থা টিকিয়ে রাখা বিচার বিভাগের নৈতিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। কিন্তু যখন সেই বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিশোধ, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নির্মূল এবং একদলীয় ফ্যাসিবাদের ভিত্তি মজবুত করার রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সামনের স্থাপনাটি সমাজবিজ্ঞান চত্বর বা সামাজিক বিজ্ঞান চত্বর নামে পরিচিত। ২০১৬ সালে স্থানিক কনসালট্যান্টস এর নকশায় নির্মিত এ স্থাপনাটি তার নান্দনিক নকশার জন্য পুরস্কৃত হলেও এ নকশাই এখন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।