যারা গর্ভবর্তী মায়ের পেটে লাথি মারে তাদের হাতে দেশ ও জাতি নিরাপদ নয় উল্লেখ করে ঢাকা-৪ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, একটি দল সারাদেশে নারীদের টার্গেট করে ভয়ভীতি লাগিয়ে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা আামাদের মা-বোনদের গায়ে হাত তুলছে! কতটা অমানবিক আর অসভ্য হলে নারীদের ওপর হামলা চালাতে পারে। তৃণমূলে দলীয় নেতাকর্মীদের এসব অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে বিএনপি চুপ থাকার অর্থ হচ্ছে বিএনপি নারীর প্রতি সহিংসতাকে সমর্থন করছে, প্রশয় দিচ্ছে এবং উসকানি দিচ্ছে। তিনি বিএনপিকে নারীর প্রতি নিজেদের দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নতুব আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের নারী সমাজ আপনাদের ব্যালটের মাধ্যমে বয়কট করবে।
সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা-৪ আসনের উদ্যোগে নির্বাচনী গণমিছিল পূর্বক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি নারী সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেই হাত মা-বোনদের হিজাব ধরে টান দেয়, যারা মা-বোনদের পেটে লাথি মারে তাদের ব্যালটের মাধ্যমে প্রতিহত করতে হবে। যারা নারীদের মা-বোনের দৃষ্টিতে দেখে, যারা নারীর অধিকার, নারীর স্বাধীনতা ও নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আপোষহীন তাদেরকে নেতৃত্বে আনতে হবে। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বে আসলেই নারী সমাজ সম্মানিত ও মর্যাদাবান হবেন।
তিনি আরও বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যেই দলের নেতাকর্মীর কাছে মা-বোন নিরাপদ নয়; তারা ক্ষমতায় গেলে মানুষের জান ও মালের কোনো নিরাপত্তা থাকবে না। তারা মুখে নারীর স্বাধীনতার কথা বললেও তারাই নারী সমাজের স্বাধীনতা, অধিকার হরণ করছে, কেড়ে নিচ্ছে। বাংলাদেশের নারী সমাজ আগামী নির্বাচনে নারীর প্রতি সহিংসতাকারীদের উপযুক্ত জবাব দেবে। তিনি ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় দেশের নারী সমাজকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী গণভোটে ‘হ্যাঁ ভোট এবং দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে হবে। দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিলে জনগণের নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হবে।
সমাবেশ শেষে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে এক বিশাল গণমিছিল ধোলাইপাড় কমিনিউটি সেন্টারের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য সৈয়দ সিরাজুল হক ও মাওলানা শরিফুল ইসলাম, মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা-৪ আসন কমিটির পরিচালক আব্দুর রহিম জীবন, মহানগরীর সহকারী মিডিয়া সম্পাদক আশরাফুল আলম ইমনসহ বিভিন্ন থানা আমীর-সেক্রেটারি ও সহ ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও মিছিলে স্থানীয় হাজার-হাজার নারী-পুরুষ অংশগ্রহন করেন।