ফরিদপুর জেলার ৪৫ বছর বয়সী ব্যাংক কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক, বিশ্বাস করেন তাঁর সমর্থিত রাজনৈতিক দলটির এবার রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নিজ শহরে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রচারণা চালাতে গিয়ে তিনি জানান, যাদের সঙ্গে কথা বলছেন, তারা একযোগে জামায়াতকে ভোট দিতে ঐক্যবদ্ধ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে পলাতক ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর ক্ষমতায় আসা নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছে। ফলে আসন্ন নির্বাচনটি মূলত দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিণত হয়েছে। একদিকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), অন্যদিকে জামায়াতের নেতৃত্বে গঠিত জোট, যাতে রয়েছে ২০২৪ সালের আন্দোলনে ছাত্রনেতাদের গঠিত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) এবং অন্য কয়েকটি ইসলামপন্থী দল। ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে পদক্ষেপ নিয়েছে। কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু, বাণিজ্য ও যোগাযোগ সম্প্রসারণের আলোচনা এবং উচ্চপর্যায়ের সফর হয়েছে। জামায়াত সমর্থকদের মতে, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট কেবল নির্বাচনী পরীক্ষা নয়, বরং দীর্ঘদিন বঞ্চনা ও বিতর্কে থাকা একটি দলের জন্য জাতীয় বৈধতা অর্জনের গণভোট।

আব্দুর রাজ্জাকের এই আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি সাম্প্রতিক কয়েকটি জনমত জরিপ। এতে দেখা যাচ্ছে, বিএনপির সাবেক দীর্ঘস্থায়ী মিত্র জামায়াত এখন তাদের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের ডিসেম্বরের এক জরিপে বিএনপির সমর্থন ৩৩ শতাংশ এবং জামায়াতের ২৯ শতাংশ। গত সপ্তাহে দেশীয় সংস্থা ন্যারেটিভ, প্রজেকশন বিডি, ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি (আইআইএলডি) ও জাগরণ ফাউন্ডেশনের যৌথ জরিপে বিএনপি ৩৪.৭ শতাংশ এবং জামায়াত ৩৩.৬ শতাংশ সমর্থন পেয়েছে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট যদি বিজয়ী হয়, তাহলে এটি হবে দলটির জন্য নাটকীয় উত্থান। জুলাই গণহত্যার অভিযোগে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে জামায়াতের ওপর নির্মম দমননীতি চালানো হয়েছিল। দল নিষিদ্ধ, শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি বা কারাবন্দী, হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক জোরপূর্বক গুম বা হেফাজতে মৃত্যু। জামায়াতের এই বিপর্যয়ের মূলে ছিল ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অপরাধের অভিযোগে দলের নেতাদের বিচার করা হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিতর্কিত এই বিচার ও আদালতের কার্যক্রম ন্যায়বিচারের নীতি লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করে। কাকতালীয়ভাবে একই ট্রাইব্যুনাল গত নভেম্বরে (২০২৫) ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদ- দেয় ২০২৪ সালের আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের ওপর দমনের নির্দেশ দেওয়ায়, যাতে প্রায় ২ সহস্রাধিক মানুষ নিহত হন। কুখ্যাত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা এখন ভারতে নির্বাসিত, যেখানে তিনি আন্দোলনের সময় পালিয়ে যান। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একাধিক অনুরোধ সত্ত্বেও নয়াদিল্লি তাঁকে ফেরত দিতে অস্বীকার করেছে। গত ৫৫ বছরে বাংলাদেশ মূলত দুটি দল, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দ্বারা শাসিত হয়েছে। মানুষের দুটি দলেরই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আছে এবং অনেকে হতাশ। তারা নতুন রাজনৈতিক শক্তি চান’, বলেন জামায়াতের নায়েবে আমীর তাহের ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। জুলাই বিপ্লবের সময় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ভারতে পলায়ন এবং পরবর্তীতে কারাগার থেকে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের মুক্তির পর দলটি ক্রমশ আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। জুলাই গণহত্যাকারী হাসিনা আমলে নেতা-কর্মীদের ওপর চলা নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে জামায়াত সমর্থক আব্দুর রাজ্জাক জানান, অনেক নেতাকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে, জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মীরা নিহত হয়েছেন এবং রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে বলে দাবি করেন তিনি। মানুষ তাঁদের ওপর হওয়া নির্যাতনের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং সৎ মনে করেন। এ কারণেই ভোট দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন রাজ্জাক।

১৯৪১ সালে ব্রিটিশশাসিত ভারতবর্ষে ইসলামী চিন্তাবিদ সৈয়দ আবুল আলা মওদুদী প্রতিষ্ঠিত জামায়াত একটি আঞ্চলিক ইসলামী আন্দোলন থেকে বাংলাদেশে স্বতন্ত্র রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়। স্বাধীনতার পরপরই শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার ১৯৭২ সালে জামায়াত নিষিদ্ধ করে। ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন। পরবর্তী দুই দশকে জামায়াত উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়। ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রিত্বে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটকে সমর্থন দেয় দলটি। খালেদা জিয়ার শাসনামলেই তৎকালীন আমীর গোলাম আজমের নাগরিকত্ব পুনর্বহাল করা হয়। ২০০১ সালে জামায়াত আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি জোটে যোগ দেয় এবং দুটি মন্ত্রণালয় পায়।

২০০৯ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ফিরে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করলে জামায়াতের পতন শুরু হয়। দলের সাবেক আমীর মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ একাধিক নেতাকে ফাঁসি দেওয়া হয়। এতে দলের নেতৃত্ব ধ্বংস হয় এবং গত সাড়ে ১৫ বছর রাজনৈতিকভাবে প্রান্তিক হয়ে পড়ে। ২০২৪ আন্দোলনের পর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে বর্তমান আমীর ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমীর সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে জামায়াত পুনর্গঠিত হয়ে আগামী নির্বাচনে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছে। নির্বাচনটি মতাদর্শের চেয়ে শাসনের প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভর করবে। এ নির্বাচন ইসলাম বনাম ধর্মনিরপেক্ষতা বা বাম বনাম ডানের লড়াই হবে না। এটি হবে সংস্কার বনাম স্থিতাবস্থার লড়াই। যে জোট স্থিতিশীলতা বজায় রেখে আরও বিশ্বাসযোগ্য সংস্কার এজেন্ডা দিতে পারবে, তারই সুবিধা হবে বলে মনে করেন ড. মুশতাক খান, যিনি একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও অধ্যাপক, স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজ (এসওএএস), ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন।

দলীয় নেতারা দাবি করেন, এই পুনরুত্থান কেবল দমনের প্রতি জনসহানুভূতির ফল নয়, বরং প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি ব্যাপক হতাশার প্রতিফলন। ‘গত ৫৫ বছরে বাংলাদেশ মূলত দুটি দল, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দ্বারা শাসিত হয়েছে। মানুষের দুটি দলেরই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আছে এবং অনেকে হতাশ। তারা নতুন রাজনৈতিক শক্তি চান’, বলেন জামায়াতের নায়েবে আমীর তাহের। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ায় সৃষ্ট রাজনৈতিক শূন্যতায় জামায়াত দ্রুত বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সাম্প্রতিক ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্যাম্পাসে শিবিরের জয় এই গতির অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। তাহের জানান, জামায়াতের অনুমানিক ২ কোটি সমর্থক রয়েছে। এর মধ্যে নারীসহ নিবন্ধিত সদস্য (রুকন) প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার। এই সাংগঠনিক শক্তির সুযোগ নিতে চায় নতুন দল এনসিপি। ‘জামায়াতের প্রতি জনসমর্থন বাড়ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আমরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারব বলে বিশ্বাস করি’, উল্লেখ করেন তিনি।

জামায়াতের এই পুনরুত্থানে প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশ কি একটি ইসলামপন্থী দলের নেতৃত্ব গ্রহণ করতে প্রস্তুত? অনেকে আশঙ্কা করছেন, এতে শরিয়া আইন চাপিয়ে দেওয়া হতে পারে বা নারী অধিকার ও স্বাধীনতা সীমিত হতে পারে। জামায়াত নেতারা এই আশঙ্কা প্রত্যাখ্যান করেন এবং দাবি করেন, তারা দেশের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের অধীনে সংস্কার এজেন্ডা নিয়ে শাসন করবেন। ‘ক্ষমতায় এলে আমরা সর্বসম্মত সংস্কারগুলো গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করব। সুশাসন ও দুর্নীতি নির্মূলে নতুন আইনের প্রয়োজন হলে তখন বিবেচনা করব’, বলেন তাহের।

তিনি জামায়াতকে রক্ষণশীল বলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দলকে ‘মধ্যপন্থী ইসলামপন্থী শক্তি’ বলে বর্ণনা করেন, যারা সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে শাসন করতে চান। ২০২৪ আন্দোলনের নেতাদের গঠিত এনসিপি এবং ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে জোটকে তিনি ১৯৭১ ও ২০২৪-এর চেতনার মিলন এবং প্রজন্মগত পরিবর্তনের প্রতীক বলে বর্ণনা করেন। এ ছাড়া মুসলিম ভিত্তির বাইরে আবেদন বাড়াতে জামায়াত প্রথমবারের মতো খুলনায় হিন্দু প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীকে মনোনয়ন দিয়েছে এবং সংখ্যালঘু অধিকারের ওপর জোর দিয়ে অমুসলিম ভোটারদের (প্রায় ১০ শতাংশ) আকর্ষণের চেষ্টা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক আসিফ বিন আলী বলেন, অনেক বাংলাদেশি আজ ধর্মীয়ভাবে আগের চেয়ে বেশি হলেও তারা রাজনৈতিকভাবে বাস্তববাদী এবং ধর্মীয় নেতার চেয়ে রাজনীতিবিদ পছন্দ করেন। ‘সমাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ইসলামপন্থীর দিকে যাচ্ছে, কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে তারা রাষ্ট্রকে কঠোর ইসলামপন্থী নেতৃত্বের হাতে তুলে দিতে প্রস্তুত। মধ্যপন্থী ও মধ্য-বাম রাজনৈতিক স্থান এখনো বড় এবং কঠোর ইসলামী রাষ্ট্র গঠনের যেকোনো প্রচেষ্টার প্রতিরোধ করবে’, উল্লেখ করেন তিনি।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের বাংলাদেশ ও মিয়ানমার বিষয়ক সিনিয়র পরামর্শক থমাস কিন বলেন, জামায়াতের সবচেয়ে ভালো সুযোগ হল ইসলামপন্থী পরিচয়ের চেয়ে সৎ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ দল হিসেবে খ্যাতি কাজে লাগানো, বিশেষ করে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রতি হতাশ ভোটারদের কাছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, দলের অতীত এবং কিছু নীতি, বিশেষ করে ইসলামী মতাদর্শসংক্রান্ত, অনেক ভোটারকে নিরুৎসাহিত করে। ‘নিশ্চিতভাবে জামায়াত আসন্ন নির্বাচনে এ যাবৎকালের সেরা ফল করতে যাচ্ছে। তবে জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আমি সন্দিহান। এমন একটি দলের কথা বলছি যারা আগে কখনো ২০টির বেশি আসন বা ১২ শতাংশের বেশি জনপ্রিয় ভোট পায়নি’, জানান তিনি। নিশ্চিতভাবে জামায়াত আসন্ন নির্বাচনে এ যাবৎকালের সেরা ফল করতে যাচ্ছে। তবে জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আমি সন্দিহান। এমন একটি দলের কথা বলছি যারা আগে কখনো ২০টির বেশি আসন বা ১২ শতাংশের বেশি জনপ্রিয় ভোট পায়নি আসন্ন নির্বাচন এবং জামায়াতের ফলাফল প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে, বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের জন্যও একটি পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে। কিন সতর্ক করে বলেন, জামায়াত নেতৃত্বাধীন সরকারের পক্ষে শেখ হাসিনার পতনের পর ক্ষতিগ্রস্ত ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করা বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের চেয়ে কঠিন হবে। ‘ভারত সরকার নির্বাচনের পর সম্পর্ক পুনঃস্থাপন চায়, কিন্তু জামায়াত ক্ষমতায় থাকলে তা বিএনপির চেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। দুই দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি জামায়াত ও বিজেপির একসঙ্গে কাজ করা কঠিন করে তুলবে’, উল্লেখ করেন তিনি। অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা ও পানিবণ্টনের মতো চিরস্থায়ী ইস্যুগুলো যে কোনো দল ক্ষমতায় থাকলেও উত্তেজনা সৃষ্টি করবে, যোগ করেন কিন।