পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ। ট্রেনে ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিন, শনিবার সকাল থেকেই ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের ভিড়। পরিবার-পরিজন নিয়ে কিংবা পরিবারের সদস্যদের গ্রামে পাঠাতে অনেকেই স্টেশনে আসছেন।

শেষ মুহুর্তে ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে কিংবা পরিবারের সদস্যদের আগেই গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।

এদিন সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেখা যায়, কেউ পরিবার নিয়ে ঢাকা ছাড়ছেন, আবার কেউ পরিবারের সদস্যদের আগে গ্রামে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। অনেক যাত্রীই জানিয়েছেন, হাতে সময় থাকায় ঈদের ঠিক আগের ভিড় ও সম্ভাব্য ভোগান্তি এড়াতেই তারা আগেভাগে বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

যাত্রীরা বলেন, ঈদের সময় ভিড় অনেক বেড়ে যায়। তাই আগেভাগেই মাকে ও ছোট বোনকে নিয়ে বাড়ি যাচ্ছি। এরমধ্যে ঈদের জন্য শপিং করাও শেষ।

যাত্রীরা আরও বলেন, এখন স্টেশনে তেমন কোনো ভিড় নেই। ছুটি শুরু হলে বাবা ১৭ মার্চ গ্রামের বাড়িতে আসবেন। একটু আগে তিনি নিজেই আমাদের স্টেশনে পৌঁছে দিয়ে গেছেন। ঈদেরে আনন্দ এখান থেকেই শুরু হয়ে গেল।

এদিকে, স্টেশনের প্রবেশপথে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের প্রবেশমুখে দুই দফায় টিকিট পরীক্ষা করে যাত্রীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। টিকিট দেখাতে পারলে কোনো ভোগান্তি নেই, তবে বিনা টিকিটে কাউকে স্টেশনে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) আফতাব জানান, যারা টিকিট ছাড়া প্রবেশ করতে চান তাদের কোনোভাবেই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। তবে কেউ যদি তিনটি টিকিট কেটে থাকেন কিন্তু পরিবারের সদস্য সংখ্যা চারজন হয়, সে ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভাড়ায় একটি স্ট্যান্ডিং টিকিটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ঈদযাত্রায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে কোনোভাবেই বিনা টিকিটে কেউ স্টেশনে প্রবেশ করতে না পারে। এজন্য প্রবেশের সময় দুই দফায় টিকিট পরীক্ষা করা হচ্ছে।