# ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলায় জ¦লছে ইসরাইলের হাইফা
# মার্কিন বিমানের জন্য আকাশ পথ বন্ধ করলো স্পেন
# বৈঠক শেষে শত্রুতা বন্ধের আহ্বান চার দেশের
মোহাম্মদ নূরুল হুদা
জাতিসংঘে প্যাট্রিয়াটিক ভিশন অর্গানাইজেশনের (পিভিএ) স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ সাফা ১২ বছরের কূটনৈতিক দায়িত্ব স্থগিত করে বলেছেন, জাতিসংঘ ইরানে সম্ভাব্য পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, তেহরান প্রায় এক কোটি মানুষের শহর। আমি এই তথ্য ফাঁস করতে আমার কূটনৈতিক ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়েছি। তিনি আরো বলেছেন, জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তারা একটি শক্তিশালী লবির স্বার্থ রক্ষায় ভিন্নমত দমন করেছেন এবং গাজায় যা ঘটছে তাকে গণহত্যা, লেবাননে যা ঘটছে তাকে যুদ্ধাপরাধ ও জাতিগত নির্মূূলকরণ এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলতে অস্বীকার করছেন। এদিকে ইরান ও হিজবুল্লাহ গতকাল সোমবার প্রতিশোধমূলক যৌথ হামলা চালিয়ে কাঁপিয়ে দিয়েছে উগ্র ইহুদিবাদী ভূখ-টিকে। অন্য হামলায় কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ ও পানি শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া মার্কিন রাডার বিমান ধ্বংসের ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের নজরদারি সংকটে পড়তে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি আকাশ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার বর্গমাইল এলাকাজুড়ে নজরদারি চালাতে পারে। ইরানে হামলার সাথে জড়িত মার্কিন সামরিক বিমানগুলোকে নিজেদের আকাশ পথ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এছাড়া বৈঠক শেষে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে চার দেশ অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। এপি, টিআরটি ওয়ার্ল্ড, আল-জাজিরা, সিএনএন, তাস।
ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হবে
জাতিসংঘে প্যাট্রিয়টিক ভিশন অর্গানাইজেশনের (পিভিএ) স্থায়ী প্রতিনিধি মোহামাদ সাফা প্রায় ১২ বছরের কূটনৈতিক দায়িত্ব স্থগিত করেছেন। সামাজিক মাধ্যম এক্সে প্রকাশ্য পদত্যাগ নোটিশে তিনি দাবি করেছেন, জাতিসংঘ ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সাফা লিখেছেন, ‘আমি মনে করি না মানুষ পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পারছে, কারণ জাতিসংঘ ইরানে সম্ভাব্য পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, তেহরান প্রায় এক কোটি মানুষের শহর। তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি এই তথ্য ফাঁস করতে আমার কূটনৈতিক ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়েছি। নিউক্লিয়ার উইন্টার ঘটার আগেই তা ঠেকাতে আমি আমার দায়িত্ব স্থগিত করেছি, যাতে এই মানবতাবিরোধী অপরাধের অংশ বা সাক্ষী না হতে হয়।’
তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তারা একটি ‘শক্তিশালী লবির’ স্বার্থ রক্ষায় ভিন্নমত দমন করছেন। তিনি বলেছেন, শীর্ষ কর্মকর্তারা ‘গাজায় যা ঘটছে তাকে গণহত্যা, লেবাননে যা ঘটছে তাকে যুদ্ধাপরাধ ও জাতিগত নির্মূলকরণ এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ বলতে অস্বীকার করছেন।
সাফা আরও দাবি করেছেন, ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর ভিন্নমত প্রকাশের চেষ্টায় তিনি ‘নিজের ও পরিবারের জন্য মৃত্যুর হুমকি’ পেয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক হুমকির ‘ভুয়া প্রচারণা’ চালিয়ে সামাজিক মাধ্যম ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। জনগণকে ‘রাস্তায় নামার’ আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘একমাত্র জনগণই এটা ঠেকাতে পারবে।’
উল্লেখ্য, সাফা ২০১৩ সাল থেকে পিভিএর নির্বাহী পরিচালক এবং ২০১৬ সাল থেকে জাতিসংঘের ইকোসকে বিশেষ পরামর্শমূলক মর্যাদাপ্রাপ্ত সংস্থার স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছিলেন।
সাফার এই বক্তব্যের আগে পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ডব্লিউএইচও আঞ্চলিক পরিচালক হানান বালখিও একটি সাক্ষাৎকারে জানান একই কথা। তিনি জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এমন পরিস্থিতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেছিলেন, ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি হবে পারমাণবিক ঘটনা, এটাই আমাদের সবচেয়ে বেশি চিন্তিত করছে। আমরা যতা প্রস্তুতি নিই না কেন, ক্ষতি ঠেকানোর কিছু নেই। এই অঞ্চলের জন্য এবং এটা ঘটলে বিশ্বের জন্য পরিণতি দশকের পর দশক ধরে থাকবে।
মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছালো মার্কিন স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডোরা
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ আরও ভয়াবহ রূপ নেওয়ার আশঙ্কার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের কয়েক শ বিশেষায়িত কমান্ডো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন যুদ্ধের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে ভাবছেন, ঠিক তখনই আর্মি রেঞ্জার্স ও নেভি সিলসের মতো দুর্র্ধষ কমান্ডোদের এই মোতায়েনের খবর জানা গেলো। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন কর্মকর্তারা সংবাদপত্রটিকে জানিয়েছেন, এই কমান্ডোদের এখনও নির্দিষ্ট কোনও অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তবে বিশেষায়িত স্থলবাহিনী হিসেবে তাদের হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অথবা পারস্য উপসাগরে ইরানের প্রধান তেল হাব খার্গ দ্বীপ লক্ষ্য করে কোনও অভিযানে মোতায়েন করা হতে পারে। এ ছাড়া ইস্পাহান পারমাণবিক কেন্দ্রে ইরানের উচ্চসমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ধ্বংস করার অভিযানেও তাদের ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে।
ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলায় জ্বলছে ইসরাইলের হাইফা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ আগ্রাসনের জবাব একই কায়দায় দিচ্ছে ইরান ও লেবাননের হিজবুল্লাহ। গতকাল সোমবার সংঘাতের ৩১তম দিনেও তারা প্রতিশোধমূলক যৌথ হামলা চালিয়ে কাঁপিয়ে দিয়েছে উগ্র ইহুদিবাদী ভূখ-টিকে। এতে তেল আবিব ও হাইফায় কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। বিস্ফোরণের পর হাইফার একটি তেল শোধনাগারে ব্যাপক অগ্নিকা-ও ঘটে।
স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, ইসরাইলের হাইফা শহরের বাজান তেল শোধনাগারে হিজবুল্লাহ ও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর বিশাল অগ্নিকা- ও ধোঁয়া দেখা গেছে।
হিজবুল্লাহ জানিয়েছে যে, তারা হাইফার নৌঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটি জানায়, তাদের বাহিনী ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফার নৌঘাঁটিতে ‘উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রের একটি ব্যারেজ’ (একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র) দিয়ে হামলা চালিয়েছে।
এর আগে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর শহরটির তেল শোধনাগারে আগুন লেগে যায়। তবে এ অগ্নিকা- সরাসরি আঘাতের কারণে নাকি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের পতনের ফলে ঘটেছে, তা স্পষ্ট ছিল না।
হিজবুল্লাহ আরও জানিয়েছে যে, ইসরাইলের দখলদার বাহিনীর ওপর ব্যাপক হামলা চালানো হয়েছে। এতে বেইত লিফ-এ হামলায় ইসরাইলি বাহিনীর বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে কয়জন ছিল, আর তাদের সর্বশেষ অবস্থা কী তা জানা সম্ভব হয়নি।
সংগঠনটি জানায়, তারা বেইত লিফ শহরের একটি বাড়ির ভেতরে থাকা ইসরাইলী বাহিনীর ওপর গাইডেড মিসাইল (নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র) দিয়ে হামলা চালিয়েছে।
তারা দাবি করেছে যে, এই হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত ও আহত হয়েছে।
কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি শোধনাগারে ইরানের হামলা, ভারতীয় নিহত
ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলায় কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ ও পানি শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় সেখানে কর্মরত এক ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে সোমবার নিশ্চিত করেছে কুয়েত কর্তৃপক্ষ। ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার পর ওই অঞ্চলে উত্তেজনা এখন চরমে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
কুয়েতের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কুয়েতের ওপর ইরানি আগ্রাসনের অংশ হিসেবে একটি বিদ্যুৎ ও পানি শোধনাগারের সার্ভিস ভবনে হামলা চালানো হয়েছে। এতে এক ভারতীয় কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন এবং ভবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হামলার পরপরই জরুরি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং প্ল্যান্টের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে।
ইরান যুদ্ধে জড়িত মার্কিন বিমানের জন্য আকাশপথ বন্ধ করলো স্পেন
ইরানে হামলার সাথে জড়িত মার্কিন সামরিক বিমানগুলোকে নিজেদের আকাশপথ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে স্পেন।
গতকাল সোমবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্গারিটা রোব্লেস জানিয়েছেন, যৌথভাবে পরিচালিত সামরিক ঘাঁটিগুলোতে মার্কিন প্রবেশাধিকারের ওপর আগের দেওয়া বিধিনিষেধ আরও প্রসারিত করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে যৌথভাবে পরিচালিত সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুমতি দেয়নি স্পেন।
মাদ্রিদে সাংবাদিকদের স্পেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ইরান যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত কোনো কর্মকা-ের জন্য আমরা আমাদের সামরিক ঘাঁটি বা আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছি না।’
স্পেনের এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন বিমানগুলো বিকল্প পথ ব্যবহারে বাধ্য হবে, তবে জরুরি ফ্লাইটগুলো এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
স্পেনের অর্থনীতিমন্ত্রী কার্লোস কুয়ের্পো বলেছেন, এই সিদ্ধান্তটি মূলত একতরফা এবং ‘আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী’ কোনো যুদ্ধের প্রতি স্পেনের সমর্থন না জানানোর প্রতিফলন।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ মার্কিন-ইসরাইলি অভিযানের বারবার সমালোচনা করেছেন, অন্যদিকে (মার্কিন প্রেসিডেন্ট) ট্রাম্প স্পেনের বিরুদ্ধে বাণিজ্য প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল। ওই দিন থেকেই পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে ইরানও। এভাবেই টানা ৩১তম দিন গড়িয়েছে যুদ্ধ। ইসরাইল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন সামরিক স্থাপনায় অনবরত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। এতে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য।
জরুরি বৈঠক শেষে পাকিস্তান ছাড়লেন মুসলিম নেতারা
জরুরি বৈঠক শেষে ইসলামাবাদ ছেড়েছেন মুসলিম বিশ্বের নেতারা। ইরান যুদ্ধ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সৌদী, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা পাকিস্তান ছেড়েছেন।
বৈঠকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার বলেন, বর্তমান সংকট সমাধানে “সংলাপ ও কূটনীতিই একমাত্র কার্যকর পথ।
বৈঠক শেষে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে চার দেশ অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। তারা মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কাঠামোগত আলোচনার পক্ষে সমর্থন জানান।
ইসহাক দার জানান, সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপ ইসলামাবাদে আয়োজনের বিষয়ে তিনি তার সমকক্ষদের অবহিত করেছেন। এ উদ্যোগে সফররত মন্ত্রীরা ‘পূর্ণ সমর্থন’ জানিয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিয়ে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত চারপক্ষীয় বৈঠকের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের প্রচেষ্টার ওপর তাদের আস্থাকে স্বাগত জানিয়েছেন।
সোমবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। এতে পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন। বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত প্রশমনে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া।
ইরান যুদ্ধের মধ্যেই আরব দেশগুলোকে প্রস্তাব দিল রাশিয়া
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করার প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া।
গত রোববার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে এ কথা জানিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ।
তিনি বলেন, সৌদি আরবসহ অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলো মস্কোর ‘ভালো অংশীদার’ এবং ‘ভালো বন্ধু’। এসব দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও উন্নত করতে আগ্রহী রাশিয়া।