পুঠিয়া (রাজশাহী) সংবাদদাতা: রাজশাহীর পুঠিয়ার ঝলমলিয়া কলার হাটে বালুবাহী ড্রাম ট্রাকে চাপা পড়ে ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো কয়েকজন আহত হন।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, নাটোর সদর উপজেলার কাফুরিয়া গ্রামের শাহীন আলীর ছেলে সিয়াম ইসলাম (১৬), একই উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের আক্কেল প্রামাণিকের ছেলে মুনকের প্রামাণিক (৩৮), বাগাতিপাড়া উপজেলার সালাইনগর গ্রামের সহিমুদ্দিনের ছেলে সেন্টু (৪০), চারঘাট উপজেলার আস্করপুর গ্রামের মৃত মাহাতাব আলীর ছেলে ইসলাম উদ্দিন (৬০) এবং রায়হান জলিল (৪৫)। স্থানীয়রা জানান, ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া বাজারে হাইওয়ে সড়কের পাশে কলার হাট বসে। কুয়াশার কারণে সকালে চারঘাট থেকে ছেড়ে আসা নাটোরগামী একটি বালুবাহী ড্রাম ট্রাক বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়িকে ওভারটেক করতে গিয়ে সেখানে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলে ৪ জন এবং পরে হাসপাতালে একজন মারা যান। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসেরা কর্মীরা উপস্থিত থেকে উদ্ধার কাজ সম্পন্ন করেন। পবা হইওয়ে থানার পুলিশ জানায়, ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করা হয়েছে। চালক আর হেলপার পালাতক রয়েছে।
মর্মান্তিক: রাজশাহী ব্যুরো: ট্রেন তখন ছেড়ে দিয়েছিল। তবু স্বামী উঠতে পেরেছিলেন। আর প্লাটফর্মে দাঁড়ানো স্ত্রীর হাত ধরে ট্রেনে তোলার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু হাত ছুটে গিয়ে স্ত্রী পড়লেন রেললাইনে। চলন্ত ট্রেনের চাকায় তার ঘটলো মর্মান্তিক মৃত্যু।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার সময় রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম রুপা খাতুন (২৩)। বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার তিত্তরকুড়ি গ্রামে। স্বামীর নাম মো. অনিক। রাজশাহী রেলওয়ে থানা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, অনিক ঢাকায় একটি ফার্নিচারের প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। বিকেলে ঢাকায় যেতে স্ত্রীকে নিয়ে পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠছিলেন। ওই সময় ট্রেন ছেড়ে দিয়েছিল। অনিক আগে উঠে গিয়ে স্ত্রীর হাত ধরে ট্রেনে উঠাচ্ছিলেন। তখন তার স্ত্রী রুপা হাত থেকে ছুটে গিয়ে ট্রেনের নিচে ঢুকে যান। তাৎক্ষণিক অনিকও চলন্ত ট্রেন থেকে নেমে যান। এরপর ট্রেনটি চলে গেলে দ্রুত রুপাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। দুর্ঘটনায় তার একটি পা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। আরেকটি পা এবং মাথায় গুরুত্বর আঘাত ছিল। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন।