ভয়ঙ্কর মরণফাদ হয়ে দেখা দিয়েছে গ্যাসের লিকেজ। অহরহ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। লাইনের জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে ঝলসে যাচ্ছে মানুষের শরীর। এসব ঘটনার জন্য গ্যাসের লাইনের ত্রুটির পাশাপাশি অসতর্কতাকে বেশি দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি মানহীন সিলিন্ডার গ্যাসের বিস্ফোরণে ঘটে চলছে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। সর্বশেষ চট্টগ্রামে হালিশহরে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে মারা গেছেন একই পরিবারের ৩জন।
এদিকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস লিকেজ ও সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুর্ঘটনা অব্যাহত থাকায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারে শিগগিরই বৈঠকে বসছে স্বাস্থ্য, শিল্প ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়।
জ¦ালানি বিশেষজ্ঞ ও ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম দৈনিক সংগ্রামকে জানান , এসব দুর্ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে দেশের গ্যাস সরবরাহ লাইন ও সংযোগ কতটা ভঙ্গুর ও ঝুঁকিপূর্ণ। ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে বাসাবাড়িতে গ্যাসলাইন বসানোর কাজ করে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। কিন্তু তারা একবার লাইন বসানো ও সংযোগ দেওয়ার পর খোঁজও নেয় না, সেটি কী অবস্থায় আছে। অনেক সময় গ্রাহকেরা তাদের সহায়তা চেয়েও পান না। বাধ্য হয়ে তারা আনাড়ি মিস্ত্রি দিয়ে মেরামতের কাজ করান। ফলে ঘটে যাচ্ছে একের পর এক এ রকম বড় দুর্ঘটনা।
জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার সকালে জাতীয় বার্নের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রামে হালিশহরে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ সামির আহমেদ সুমন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ জনে। এর আগে নুরজাহান আক্তার তার ছেলে শাওন নামে দুইজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩ জনে দাঁড়ালো। তবে বাকি ৬ জনের অবস্থা আসংকাজনক ।
গতকাল সোমবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে চট্রগ্রামের হালিশহর এইচ ব্লকের এসি মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় একটি বাড়িতে রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৯ জন দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধরা হলেনÑ শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), মো. শিপন (৩০) মো. আনাস (৭), মো. আইমান (৯), আয়েশা আক্তার (৪), পাখি আক্তার (৩৫) ।
জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, মঙ্গলবার সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে আইসিইউতে সামির আহমেদ সুমনের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল এবং তার ইনহ্যালেশন ইনজুরি ছিল। এর আগে মারা গেছে আরো ২জন। কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী শিশুসহ একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধরা হলেন- মনোয়ারা (৬০), জিল হক (৩৭), উম্মে হুমায়রা (৩০) ও হুররাম (২)। দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার ভোরে কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌর এলাকার বলদাখাল এলাকার একটি ভবনের নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সকাল ছয়টার দিকে কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকা থেকে দগ্ধ অবস্থায় নারী শিশুসহ একই পরিবারে চারজনকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের মধ্যে মনোয়ারা বেগমের শরীরের দুই শতাংশ, জিল হকের শরীরের ৫৪ শতাংশ, উম্মে হুমায়রার শরীরে ৬৫ শতাংশ ও শিশু হুররামের শরীরে ৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এদের মধ্যে জিল হক ও হুমায়রার দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে।
বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন বলেন, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির লাইনের গ্যাস ব্যবহার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নাঘরের চুলা থেকে গ্যাস লিক হয়ে ঘরে জমে ছিল। সেই জমে থাকা গ্যাস থেকেই বিস্ফোরণ ঘটে।
রাজধানীর হাজারীবাগ রায়েরবাজার এলাকার সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একটি বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের শিশুসহ ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধরা হলেনÑ শেখ নোমান (৩৫), পিংকি আক্তার (৩২), দম্পতির ছেলে রোহান (৩) ও শেখ নোমানের শ্যালক অপু (২৩)।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. মামুন জানান, হাজারীবাগে রায়েরবাজার জাহানারা ভিলার ৬ তলার নিচতলায় ভাড়া বাসায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে আগুন লেগে যায়। এতে একই পরিবারের শিশুসহ ৪ জন দগ্ধ হয়। পরে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকায় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা টেক্সটাইল মিলের কাছে চুলকাটার সেলুনে ভয়াবহ বিস্ফোরণে দগ্ধ সেলুন মালিক মিন্টু ৫দিন পর মারা গেছে। ৫ দিন ঢাকা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারী ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকার পরে মঙ্গলবার বিকালে মারা যান মিন্টু।
জ¦ালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটু সচেতনতা আর গ্যাস ডিটেকটর নামের যন্ত্রটি ঘরে স্থাপন করে নিলেই রক্ষা পাওয়া সম্ভব এ রকম মারাত্মক দুর্ঘটনার হাত থেকে। কিন্তু শুধু প্রচারের অভাবে গ্যাস ডিটেকটর যন্ত্রের কার্যকারিতা বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, গত কয়েক বছরে দেশে এলপিজি ও গ্যাসলাইনের বড় বিস্ফোরণ ঘটেছে। অনেকে মারা গেছেন। মারাত্মক আহতও হয়েছেন অনেকে। সরকারের তরফ থেকে বিভিন্ন সময় সতর্কতার নির্দেশনা দেওয়া হলেও গ্যাস শনাক্তকারী যন্ত্রের কথা বলা হয়নি ঢালাওভাবে। সাধারণ মানুষের অনেকে জানেই না যে, এমন যন্ত্র দেশেই আছে। বিস্ফোরক পরিদপ্তরের জন্য প্রচার বাবদ অর্থ বরাদ্দ রাখা হলেও গুটিকয়েক লিফলেট ছাপানো ছাড়া আর কিছুই করতে দেখা যায় না তাদের।
ফায়ার সার্ভিসের সর্বশেষ তথ্য মতে, ২০২৫ সালে সারা দেশে ২৭ হাজার ৫৯টি এবং দিনে গড়ে ৭৫টি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। ২০২৫ সালে শুধু গ্যাস সরবরাহ লাইন লিকেজ থেকে ৫৬২টি এবং গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে ১২১টি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এসবের মধ্যে বাসাবাড়ি বা আবাসিক ভবনেই সবচেয়ে বেশি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। সারা দেশে বাসাবাড়িতে মোট ৮ হাজার ৭০৫টি আগুন লাগে, যা মোট আগুনের ৩২.১৭ শতাংশ। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন ২৬৭ জন এবং নিহত হয়েছেন ৮৫ জন।
পরিসংখ্যান বলছে, গত ২০২৪ সালে শুধু গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ, বিস্ফোরণ, লাইন লিকেজের ঘটনা ঘটেছে ১ হাজার ২১৩টি। এর মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজের দুর্ঘটনা ঘটেছে ৭০৪টি, বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে ৪৪টি আর সরবরাহ লাইনের লিকেজ থেকে অগ্নিকা- ঘটনা ঘটেছে ৪৬৫টি। আর এতে ক্ষতি হয়েছে ৯১ লাখ ৭৮ হাজার ৩২৪ টাকা। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে দেশজুড়ে ২৭ হাজার ৬২৪টি অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। এসব অগ্নিকান্ডে ৭৯২ কোটি ৩৬ লাখ ৮২ হাজার ১৪ টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। নিহত হয়েছেন ১০২ জন, আহত হয়েছেন ২৮১ জন। যার মধ্যে গ্যাসের লাইন লিকেজ থেকে ৭৭০টি, গ্যাস সিলিন্ডার ও বয়লার বিস্ফোরণ থেকে ১২৫টি এবং বাজি পোড়ানো থেকে ৮৭টি আগুনের ঘটনা ঘটে।
তিতাস সূত্র বলছে , বাসাবাড়িতে চাইলেই এই গ্যাস ডিটেকটর যন্ত্র বসানো যায়। এটি পাওয়া যায় বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটেই। দাম ১২০০-২০০০ টাকার মধ্যে। রান্নাঘর বা গ্যাসের লাইন রয়েছে এমন স্থানে এটি স্থাপন করা যেতে পারে। লিকেজ হলেই বেজে উঠবে অ্যালার্ম, যাতে বড় দুর্ঘটনার আগেই লোকজন নিরাপদে সরে যেতে পারবে।
জানা যায়, এটি স্মোক ডিটেকটরের মতো ছোট একটি ডিভাইস। সার্বক্ষণিক বিদ্যুতের সঙ্গে যুক্ত রাখতে হয়। আবার ব্যাটারিতেও চলে। সাধারণত দুই ধরনের ডিটেকটর পাওয়া যায়। এর মধ্যে একটি যন্ত্র বাতাসে গ্যাসের ঘনত্ব মেপে অস্বাভাবিকতা ধরতে পারলেই সংকেত দেয়। অন্যটি স্থাপন করা হয় গ্যাসের চুলা ও গ্যাস লাইনের মাঝের ভালভে। লিকেজের সংকেত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই ডিটেকটর স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। অবশ্য মূল পাইপলাইনে লিকেজ হলে তা বন্ধ করতে পারে না এই ডিটেকটর। কিন্তু সংকেত দিতে পারে ঠিকই। একেক ধরনের গ্যাস শনাক্ত করতে পাওয়া একেক ধরনের ডিটেকটর। তবে বাজারে মিথেন শনাক্তকারী যন্ত্রই পাওয়া যায় বেশি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলপিজি বাতাসের তুলনায় ভারী। তাই সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে যন্ত্রটি সিলিন্ডারের আশপাশে বা মেঝের কাছাকাছি রাখতে হয়। পাইপলাইনের গ্যাস তুলনামূলক হালকা। তাই এটি লিক হলে ঘরের ওপরের দিকে জমা হয়। এ কারণে পাইপলাইনের ডিটেকটর থাকবে সিলিংয়ে।
ফায়ার সার্ভিসের একটি সূত্র জানায়, শুধু লিকেজের কারণে এ রকম বিস্ফোরণের ঘটনা অহরহ ঘটছে, যা খুবই মর্মান্তিক। এ ক্ষেত্রে মানুষজনের সচেতন হলে অনেক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব হতো। যেমন চুলা জ্বালানোর আগে রান্নাঘরের জানালা, এডজস্ট ফ্যান চালু করে দিয়ে ঘরের জমানো গ্যাস বের করে দিয়ে তারপর আগুন ধরানো। কিন্তু আমরা অনেকেই তড়িঘড়ি করতে গিয়ে এসব ভুলে যাই। যার খেসারত দিতে হয় পুরো পরিবারকে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে গ্যাস ডিটেকটর নামক একটি যন্ত্র রয়েছে। কিন্তু এর প্রচারণা এত কম যে অনেক শিক্ষিত মানুষও এটার সম্পর্কে জানে না। তাই আমি মনে করি গ্যাস লিকেজ থেকে দুর্ঘটনা রোধ করতে এই যন্ত্রটি সহজলভ্য করার পাশাপাশি প্রচারণা বাড়ানো প্রয়োজন।
সূত্র জানায়, গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনার পর সাধারণত তদন্ত করে বিস্ফোরক পরিদপ্তর। তাতে গতানুগতিক কিছু সুপারিশ থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ কোনো প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্ষতি কমানো যায় কি না সে বিষয়ে কোনো নির্দেশনা থাকে না। প্রথমবারের মতো মগবাজারের বিস্ফোরণের পর গ্যাস ডিটেকটরের বিষয়টি সুপারিশে উল্লেখ করে বিস্ফোরক পরিদপ্তর।
এদিকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস লিকেজ ও সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুর্ঘটনা অব্যাহত থাকায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারে শিগগিরই বৈঠকে বসছে স্বাস্থ্য, শিল্প ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চট্টগ্রামের দগ্ধ রোগীদের দেখতে গিয়ে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু গ্যাসের আগুনকে ‘মানবসৃষ্ট দুর্যোগ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দেশে সারা বছরই কোথাও না কোথাও গ্যাস লিকেজজনিত দুর্ঘটনা ঘটছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। গ্যাস লিকেজ প্রতিরোধ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডারের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি বলেন,‘গ্যাস লিকেজ থেকে দুর্ঘটনা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ যেসব সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়, কীভাবে একটা নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসা যায়, সেগুলো নিয়ে আমরা অল্প সময়ের মধ্যে তিন মন্ত্রণালয় বসে কাজ করব; যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায়, সেই ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, তিন মন্ত্রণালয় ‘অতি সত্বর’ বৈঠকে বসবে। এটাকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা যায় বা লিকেজ থাকলে কীভাবে দ্রুত দূর করা যায়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।