ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩টি আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে আবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আসনগুলো হলো- ঢাকা-৬, ৭ ও গাইবান্ধা-৪। অপরদিকে শেরপুরের একটি আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে আবেদন করেছে বিএনপি।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনাল আবেদনগুলো গ্রহণ করে আদেশ দিয়েছেন।
একই সঙ্গে ওই আসনগুলোর নির্বাচনী সরঞ্জামাদি ইসিকে হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ওই আসনগুলোর বিজয়ী প্রার্থীকে নোটিশ দিয়েছেন আদালত।
অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ঢাকা-৬, ৭ ও গাইবান্ধা-৪ শেরপুরের-১ আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে আসনগুলোর পরাজিত প্রার্থীরা হাইকোর্টে আবেদন করেন। আবেদনে ভোটের ফলাফল পুনঃগণনা চাওয়া হয়।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করবেন।
উল্লেখ গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফল কারচুপি ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাৎক্ষণিক ঢাকা-৬ আসনে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান তাঁর আসনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখতে নির্বাচন কমিশনে দাবি জানান। পরবর্তীতে সারাদেশে ৩০ টি আসনে ফলাফল স্থগিত রাখতে জামায়াতে ইসলামী সংবাদ সম্মেলন করে দাবি জানালেও নির্বাচন কমিশন ফলাফল স্থগিত না করে ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৯৭ আসনের ফলাফল ঘোষণা করে। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকায় দু’টি আসনের ফলাফলের গেজেট জারি করা হয়নি।