কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিনয়ঘর (সাংবাদিক বাড়ি) গ্রামে দৈনিক সংগ্রামের সার্কুলেশন এক্সিকিউটিভ আব্দুস সোবহান ও তাঁর স্ত্রী মহিফুল আক্তারের উপরে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে আহত করে। এই ঘটনা ঘটে জাতীয় নির্বাচনের আগের দিন বুধবার তাঁর পৈত্রিক বাড়ির পাশের বাড়িতে। দৈনিক সংগ্রামের সার্কুলেশন এক্সিকিউটিভ আব্দুস সোবহান (৬৫), পিতা- মৃত হাফেজ আলী, গ্রাম- বিনয়ঘর (সাংবাদিক বাড়ি), পোস্ট অফিস ও ইউনিয়ন নাথেরপেটুয়া, থানা-মনোহরগঞ্জ, জেলা- কুমিল্লা।

আব্দুস সোবহান বলেন, আমি ঢাকা থাকি গত মঙ্গলবার বাড়িতে আসার পর গত বুধবার দুপুর আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটে আমার ছোট ভাইয়ের বাসায় দুপুরের দাওয়াত খেয়ে বাসার পাশে একটি লোকের সাথে কথা বলছিলাম। এমন সময় হঠাৎ পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আবুল কালাম (২৫), পিতা- মৃত বগু মিয়া, আরিফ (২০), পিতা- শাহ আলম, ফাহিম (১৯), পিতা- সুরুজ মিয়াসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে আমার উপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে আমাকে মারধর করে। আমার স্ত্রী মহিফুল আক্তার আমাকে বাঁচাতে গেলে তার উপরেও হামলা করে তাকে আহত করে।

তিনি আরও বলেন, আমার কোন অপরাধ নেই। জামায়াতের রাজনীতি করি বিধায় কোন কারণ ছাড়াই আমার উপর বিএনপির স্থানীয় ওয়ার্ড সভাপতি সন্ত্রাসী আব্দুল মতিন মেম্বার, দুলাল আহমেদ, ওয়াসিম, আবুল কাশেস, ইসরাফিলের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে। বিবাদীদের হাত থেকে আমাকে বাঁচাতে গেলে আমার স্ত্রীর উপরও তারা হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করে এবং তার অশ্লীলতাহানি করে। আমাদের আর্তচিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীগণ ঘঠনাস্থল দ্রুত চলে যায়।

তিনি বলেন, বিএনপির সন্ত্রাসীরা চলে যাওয়ার সময় আমাদেরকে প্রাণে মেরে ফেলার জন্য হুমকি ধমকি দেয়, আমাদেরকে এলাকায় দেখলে প্রাণে মেরে ফেলবে বলেও শাসিয়ে যায়। পরে আমি ও আমার স্ত্রী আহত অবস্থায় মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জরুরী বিভাগে চিকিৎসা গ্রহণ করি। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার নেয়ার পর থানায় অভিযোগ /মামলা করতে গেলে থানার ডিউটি অফিসার এবং ওসি হানিফ সরকার অভিযোগ বা মামলা কিছুই নেয়নি। তিনি বলেন, বিষয়টি দেখবেন? এই বিষয়ে জানতে মনোহরগঞ্জ থানার ওসি হানিফ সরকারকে ফোন করে পাওয়া যায়নি।