রোজার আগেই এলপিজি সংকট কেটে যাবে বলে জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানকে আশ্বস্ত করেছেন এলপিজি অপারেটররা। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রেলপথ মন্ত্রণালায়ের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি বৈঠকে উপদেষ্টাকে এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেন তারা। এমন একসময় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো যখন বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকট। দ্বিগুণ দামেও মিলছে না সিলিন্ডার। এতে বিপাকে পড়েছেন ভোক্তারা।

এদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ এর অধীন সম্পাদিত চুক্তি পর্যালোচনার জন্য গঠিত জাতীয় কমিটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে। মঙ্গলবার কমিটি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে। মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, প্রতিবেদনটি বিদ্যুৎ বিভাগের পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হবে। বিদুৎ বিভাগ পর্যালোচনার পর সরকারের নির্দেশ মোতাবেক পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবে। এর আগে গত বছরের ২ নভেম্বর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টার কাছে অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন হস্তান্তর করে জাতীয় কমিটি।

অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন দাখিলের সময় কমিটির প্রধান বলেছিলেন, ‘আমরা পর্যালোচনায় বিদ্যুৎ কেনার চুক্তিতে পেলাম সীমাহীন দুর্নীতি, যোগসাজশ, জালিয়াতি, অনিয়ম। ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারদের সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়ার মধ্যে আমরা এগুলো পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন। আগামী বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় আমরা আমাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেব।’