চীন বাংলাদেশে চলমান প্রকল্পগুলো এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নতুন নতুন উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে তিস্তাবাঁধ নির্মাণেও তাদের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন। চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে চীন সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়-এমন প্রকল্পগুলোতে চীনের বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনা করছে বাংলাদেশ।

গতকাল সোমবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী ও চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে তিস্তা প্রকল্প, বিনিয়োগ ও ঋণ সুবিধা নিয়ে কথা হয়েছে। চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা অর্থমন্ত্রীকে জানিয়েছে।

তিনি বলেন, অর্থ ও বাণিজ্য নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে কো অপারেশন কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। তিস্তা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ প্রকল্পটি নতুন সরকার ও চীনের অগ্রাধিকারমূলক প্রজেক্টগুলোর একটি। খুব দ্রুত এটা নিয়ে কাজ শুরু হবে। এছাড়া জ্বালানি খাতে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, জ্বালানি সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে কাজ করবে। তবে বাংলাদেশ ঠিক কী ধরনের জ্বালানি সহায়তা চায়, সে বিষয়টি জানতে চেয়েছে বেইজিং। এসময় নতুন ঋণ সহায়তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, আপনাদের একটা নতুন তথ্য দিতে চাই তা হলো নতুন সরকার গঠনের শুরুতে গেল ৩ সপ্তাহে কমপক্ষে ৪টি চীনা কোম্পানি বাংলাদেশে ১০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যার মাধ্যমে ১০ হাজার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। সুতরাং দেশে বিনিয়োগ বাড়ছে। ভবিষ্যতে এ প্রবণতা আরও জোরদার হবে।