বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পেলেই ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব। বিচার বিভাগে সরকার হস্তক্ষেপ করলেই ন্যায় বিচার বাঁধাগ্রস্ত হয়। যার দৃষ্টান্ত মজলুম জননেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এটিএম আজহারুল ইসলামের আপিল আবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করে স্বীকার করেছেন, বিচারের নামে এটিএম আজহারুল ইসলামের উপর অবিচার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের মিথ্যা মামলা, মিথ্যা সাক্ষী, মিথ্যা প্রসিকিউটরের সম্মিলিত ষড়যন্ত্রের শিকার মজলুম জননেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম। যাকে হত্যা করেছে বলে আওয়ামী লীগ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে এটিএম আজহারুল ইসলামকে আসামি করেছে, অথচ তার পরিবারের একজনকেও আদালতে সাক্ষী দিতে আনা হয়নি! কারণ অভিযোগটি ছিল মিথ্যা ও বানোয়াট। এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ আদালতে মিথ্যা, বানোয়াট প্রমাণিত হওয়ায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।
মজলুম জননেতা এটিএম আজাহারুল ইসলামের কারা মুক্তিতে শুকরিয়া আদায়ের অংশ হিসেবে গত শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসায় দোয়া মাহফিল ও এতিম শিশুদের সাথে মধ্যাহ্নভোজ পূর্বক আলোচনা সভার সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর শিক্ষাবিদ আব্দুস সবুর ফকির, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ সহ মহানগরীর মজলিসে শূরা ও কর্মপরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দোয়া মাহফিল শেষে নেতৃবৃন্দ এতিম শিশুদের সাথে মধ্যহ্নভোজে অংশগ্রহণ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।