বাংলাদেশে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়েকজন পরামর্শক ভারতে ফিরে গেছেন। ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে যথাযথভাবে অবহিত করে এবং প্রয়োজনীয় সব অনুমোদনের পর ভারতে ফিরেছেন। কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করেই কোনও কর্মকর্তা প্রাঙ্গণ ছেড়ে দিয়েছেন এমন তথ্য সঠিক নয়। গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রে-শীপ পাওয়ার কোম্পানির (বিআইএফপিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর সারঙ্গাপানি।

তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি স পর্যন্ত ১৭ জন প্রবাসীর স্থানান্তরের পর, বিআইডিএ-নির্দিষ্ট প্রবাসী অনুপাত মেনে চলতে ১২ জন এনটিপিসি নির্বাহীকে প্ল্যান্টে সম্পূর্ণরূপে পরামর্শক পদে নিযুক্ত করা হয়েছিল। ওই নির্বাহীদের কোনও কার্যকরী দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। সমস্ত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ এবং কার্যকরী কার্যক্রম কেবলমাত্র বিআইএফপিসিএল স্থানীয় ক্যাডার দ্বারা পরিচালিত হয়েছে, এখনও চলছে। তাদের প্রস্থানের আগে সমস্ত প্রাসঙ্গিক স্টেকহোল্ডার এবং উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে সম্পূর্ণরূপে অবহিত করা হয়েছিল।

ভারতে ফিরে যাওয়া কর্মীরা কর্তব্যরত রয়েছেন এবং হোয়াটসঅ্যাপ, মাইক্রোসফ্ট টিম এবং ভিডিও কনফারেন্সিংসহ ভার্চুয়াল পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের পরামর্শ এবং সহায়তা অব্যাহত রেখেছেন। তারা চব্বিশ ঘণ্টা সক্রিয় রয়েছেন এবং যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে প্ল্যান্টে ভ্রমণের জন্য প্রস্তুত আছেন।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের উভয় ইউনিটই বাংলাদেশের গ্রিডের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে রয়েছে। প্ল্যান্টের কর্মক্ষমতা স্থিতিশীল এবং প্রভাবিত হয়নি। পরিস্থিতিকে অন্যভাবে উপস্থাপন করার যে কোনো প্রচেষ্টা বাস্তবিকভাবে ভুল, বিভ্রান্তিকর এবং অযৌক্তিক এবং উদ্বেগ তৈরি করে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।