ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার রায় ঘিরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। সেনা, বিজিবি, র‍্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

হাইকোর্ট, মৎসভবন, সচিবালয় এলাকার প্রত্যেকটি মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট এবং নিরাপত্তা তল্লাশি চলছে।

হাইকোর্টের কর্মী, আইনজীবী, গণমাধ্যমকর্মী ছাড়া সাধারণ কাউকে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

আজ ১১টার দিকে রায় ঘোষণার কথা রয়েছে। তার আগে সব ধরনের প্রস্তুতি চলছে। মামলার একমাত্র গ্রেফতারকৃত আসামি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সকাল ৯টার দিকে আদালতে আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, মাবতাবিরোধী অপরাধের যে মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হবে সেই মামলার আসামি মোট তিন জন। শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ মামলায় পলাতক আসামি।

তিনি এই মামলায় অ্যাপ্রুভার বা রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ এনে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা।

সকাল আটটা থেকে নয়টার মধ্যে ঢাকার মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, মিরপুর, ফার্মগেট, বাংলামোটর, শাহবাগ, মহাখালি, গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছে বিবিসি সংবাদদাতারা।

সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর অবস্থান দেখা গেছে।

মিরপুর ১০ গোলচত্বরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের অবস্থান করতে দেখা যায়।

সোমবার স্বাভাবিক দিনের তুলনায় সড়কে গাড়ির চাপ কিছুটা কম। আগারগাঁও, মহাখালি এবং ফার্মগেটে ছোট আকারে যানজটও দেখা গেছে।

অন্যান্য দিনের তুলনায় গণপরিবহন এবং দূরপাল্লার পরিবহন কম চলতে দেখা গেছে। ঢাকার কোথাও জামায়াতে ইসলামী বা বিএনপির নেতা-কর্মীদের অবস্থান দেখা যায়নি।

এছাড়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদেরও 'কমপ্লিট লকডাউন' সমর্থনে কোনো মিছিল বা তৎপরতা দেখা যায়নি।