জাতীয় প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি এবং জনতা পার্টি বাংলাদেশের মহাসচিব সিনিয়র সাংবাদিক শওকত মাহমুদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাজধানীর মালিবাগে তার বাসার সামনে থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, শওকত মাহমুদকে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে পরে-বিস্তারিত জানানো হবে। তবে পুলিশের একটি সূত্র জানায় রমনা থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মার্কিন নাগরিক ও একটি গোয়েন্দা সংস্থায় এজেন্ট পরিচয় দেওয়া এনায়েত করীমকে গ্রেফতারের পর তার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় পুরিশ তাকে গ্রেফতার করে। মিন্টো রোডে গোয়েন্দা দফতরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পুলিশের সূত্র জানায়, এরআগে মার্কিন একটি গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট পরিচয়ে রাজধানীর মিন্টো রোড থেকে গ্রেফতার হয় এনায়েতুর রহমান চৌধুরীকে। তিনি রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার জন্য দেশের প্রথম সারির ব্যাবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যক্তি, সাবেক ও বর্তমান পুলিশ কর্মকর্তাসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। এসব অভিযোগে তাকে রমনার থানার মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কয়েক দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সেখানে একাধিক ঘটনায় শওকত মাহমুদের নাম এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গত ২৫ এপ্রিল চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন ও সাবেক বিএনপি নেতা শওকত মাহমুদের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জনতা পার্টি বাংলাদেশ’ আত্মপ্রকাশ করে। দলের চেয়ারম্যান হন ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। আর মহাসচিব করা হয় শওকত মাহমুদকে। ২০২৩ সালে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদকে বহিষ্কার করা হয়।