আল মাহমুদ কবি জসীমউদ্দিনের পর সবচেয়ে বেশি গ্রামবাংলার চিরায়ত লোকজ উপাদান, উপমা এবং রূপককে আধুনিক কবিতার মূলধারায় সার্থকভাবে ফিরিয়ে এনেছেন। তাই বাংলাদেশকে বুঝতে আল মাহমুদ পাঠ অপরিহার্য। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী কবি আল মাহমুদের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল রোববার বাংলা একাডেমির আল মাহমুদ কর্নারে বিশেষ স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
কালের কলস আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, সোনালী কাবিন খ্যাত কবি আল মাহমুদকে ছাড়া আধুনিক বাংলা সাহিত্যের শেকড় চেনা অসম্ভব। জাতিসংঘের সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি ড. আবুল কাশেম শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের সভাপতি কবি শাহীন রেজা, সংবিধান বিশেষজ্ঞ আরিফ খান, ড. কাজল রশীদ শাহীন, কবি ও সাংবাদিক শান্তা মারিয়া, প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন, কবি শাহীন রিজভী, চলচ্চিত্রকার পার্থিব রাশেদ, কবি ও গবেষক ইমরান মাহফুজ, কবি ও গবেষক শামস আরেফিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কালের কলসের সম্পাদক আবিদ আজম। উপস্থাপনা করেন কালের কলসের সদস্য মুশফিকা নিপা। বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ ও আল মাহমুদ দেশ ও কবিতার রূপকে একাকার হয়ে গেছে। বাংলাদেশকে বুঝতে হলে আল মাহমুদকে বুঝতে হবে । আর আল মাহমুদকে বোঝা গেলে বাংলাদেশকে বোঝা যাবে। আল মাহমুদ সেই বুনোফুল যার সুগন্ধী ও সৌন্দর্য অপরিসীম। অনুষ্ঠানে আবৃত্তি ও কবিতা পাঠ করেন বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী মাহবুব মুকুল, কামাল মিনা, শিমুল পারভীন, কবি মঈন মুনতাসীর, তানজীনা ফেরদৌস, কবি ফরিদুজ্জামান, শাহাদাত সুফল।