দীর্ঘ ১৮ বছর পর সারাদেশে বিরাজ করছে ভোট উৎসবের আমেজ। ভোটকে কেন্দ্র করে টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। এলাকায় গিয়ে ভোটের উৎসবে শামিল হবে তারা। ৫ আগষ্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ভোটাধিকার রক্ষায় সর্তক প্রায় সবাই। কাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিবেন তারা। এবারের ভোটে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্য ও বিএনপির নেতৃত্বে কয়েকটি দলের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা অনুষ্ঠিত হবে। তবে রাষ্ট্র সংস্কারে গণভোটে উভয় শিবিরই “হ্যাঁ’ এর পক্ষে। নির্বাচনী প্রচারণায় জামায়াতে ইসলামী শুরু থেকেই গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার জন্য প্রচারণা চালিয়েছে। শেষের দিকে বিএনপির পক্ষ থেকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার জন্য জনগণকে আহবান জানানো হয়েছে। এদিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। সকল সংশয় দূর করে ভোটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল প্রকার ব্যবস্থা নিয়েছে ইসি। তবু অনেকের মাঝে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। তা দূর করতে ইসির কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

জনগণকে ভোট দেয়ার আহবান জানিয়ে গতকালকে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ভয়কে পেছনে রেখে, সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যান। আপনার একটি ভোট শুধু একটি সরকার নির্বাচন করবে না, এটি ১৭ বছরের নীরবতার জবাব দেবে, বাধাহীন ফ্যাসিবাদের জবাব দেবে, জাতিকে নতুনভাবে গঠিত করবে এবং প্রমাণ করবেÑ এই দেশ তার তরুণ ও নারী এবং সংগ্রামী জনতার কণ্ঠ আর কোনোদিন হারাতে দেবে না।

ইসি সূত্রমতে, গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটায় সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হয়েছে। কাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে। নির্বাচনে মোট প্রার্থী ২ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৫ জন। ভোট কেন্দ্র ৪২,৭৭৯টি।

নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের জন্য কমিশনের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা ছাড়া আর কোনো প্রস্তুতি বাকি নেই। তিনি বলেন, নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারই সর্বোচ্চ সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি প্রসঙ্গে মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, এবারের নির্বাচনে ভোটের হার ৫৫ শতাংশের কম বা বেশি হতে পারে বলে আমার ধারণা।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ইতিমধ্যে জেলা থেকে ব্যালট পেপার উপজেলায় পৌঁছে গেছে। বুধবারের মধ্যেই কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে ব্যালট পেপার। সকাল থেকে ব্যালট দেওয়ার কাজ শুরু করবো।

তিনি বলেন, ২৯৯ আসনে ভোট হচ্ছে। ভোটগ্রহণ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। নির্বাচনে ২ হাজার ২৮ প্রার্থী অংশ নেবেন, যার মধ্যে ৮১ জন নারী। মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ। নারী-পুরুষ প্রায় সমান। দেশীয় পর্যবেক্ষক ৪৫ হাজার ৩১৩ জন, বিদেশি ৩৫০। বিদেশি সাংবাদিক নিবন্ধন করেছেন ১৫৬ জন। নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য।

ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম ও প্রতীক বিষয়ে নতুন নির্দেশনা

নির্বাচনে ভোটারদের জন্য করা ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সন্তোষজনক জানিয়ে কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, আগের নিয়ম অনুযায়ী ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম ও প্রতীক থাকতো না। তবে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে ভোটার স্লিপ করা যাবে।

মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাড়ে ৯ লাখ সদস্য

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, এই পর্যন্ত যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আছে নির্বাচন কমিশন তাতে সন্তুষ্ট। যে বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো ঘটেছে এগুলো না ঘটলে আরও ভালো হতো। অতীতে যে কোনো সময়ের চেয়ে আমরা ভালো অবস্থায় আছি। এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির ব্যাপারে যদি আমি বলি, সারাদেশে প্রায় ৯ লাখ ৫৮ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ডেপ্লয় হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রথমবারের মতো এবার ইউএভি আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকেল ব্যবহার করা হচ্ছে। ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। পুরো দেশেই এটা বিস্তৃতি থাকবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনার ওভারল্যাপ থাকবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে একটা ফ্যাসিলিটি এখানে থাকবে আরেকটা এখানে থাকবে না। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

ভোটার ও প্রার্থীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, ভোটার, সমর্থক সবার প্রতি আহ্বান যে, আমরা যেন এই সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখি। যেসব জায়গাতে কিছুটা হলেও এখনো পর্যন্ত টেনশন বিরাজমান সেগুলো যেন আর কন্টিনিউ না করে। সুন্দর সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে, উৎসবমুখর পরিবেশে আমাদের অতি প্রতীক্ষিত এই নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করি।

ভোটের হার কেমন হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে সানাউল্লাহ বলেন, আমরা তো কোনো স্পেকুলেশন করতে চাচ্ছি না। তবে আমরা ধারণা করি, ইনশাআল্লাহ আমরা যে ফিডব্যাক পেয়েছি মানুষের মাঝে, যে উৎসব, ভোটার টার্নআউট ভালো হবে। ভোটারদের প্রস্তুতি আর উচ্ছ্বাস দেখছি। শুধু আজকে ঢাকার ট্রেনের দিকে তাকিয়ে দেখেন কী পরিমাণ মানুষ বাড়িতে যাচ্ছে শুধু ভোট দেওয়ার জন্য। সব দিকে উৎসবে পরিণত হয়েছে। ভোটারদের উপস্থিতি, উচ্ছ্বাস, রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পৃক্ততা এবং তাদের সচেতনতা, নির্বাচনে ইতিপূর্বে বাংলাদেশে এত ফোর্স, এত ক্যাপাসিটি ডেপ্লয় কখনোই করা হয় নাই। সবকিছু মিলিয়ে আমি মনে করি পরিবেশ ভালো। আশা করি যে, অনুশীলনটা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হোক।

ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘ভোট নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কার কারণ নেই। এ পর্যন্ত বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও বিচ্ছিন্ন দুটি দুর্ঘটনায় দুজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।’ পাশাপাশি তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান।

ইসির এক পরিপত্রে বলা হয়, ভোটগ্রহণ চলাকালে রিটার্নিং অফিসারদের কাছ থেকে প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর অন্তর নির্বাচনি পরিবেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ভোট প্রদানের হারের প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হবে। ভোট গণনা শেষে প্রিজাইডিং অফিসারদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ‘প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র’ থেকে ফল প্রকাশ করা হবে। এ কেন্দ্রের কার্যক্রম ভোটগ্রহণের দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু করে বেসরকারি ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

যেসব কারণে ভোট বাতিল হতে পারে

নির্বাচন আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে কোনও কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত বা বাতিল ঘোষণা করার ক্ষমতা রয়েছে কমিশনের। নির্বাচন কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ‘ভোটের স্বচ্ছতা নষ্ট হলে বা ফলাফল প্রভাবিত হওয়ার মতো অনিয়ম প্রমাণিত হলে, ভোট বাতিল ছাড়া বিকল্প থাকে না।’

সংশ্লিষ্টরা জানান, ভোটকেন্দ্র দখল, মারামারি, ককটেল বা বোমা হামলা, গুলিবর্ষণ, ব্যালট ছিনতাই কিংবা ভাঙচুরের মতো সহিংসতার ঘটনা ঘটলে ভোটগ্রহণ অব্যাহত রাখা সম্ভব হয় না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রিসাইডিং অফিসার তাৎক্ষণিকভাবে ভোট স্থগিত করতে পারেন। পরে তদন্ত শেষে অনেক ক্ষেত্রে কমিশন পুনরায় ভোটের সিদ্ধান্ত দেয়।

ব্যালট পেপার নষ্ট বা হারিয়ে গেলে ভোটের সঠিকতা নিশ্চিত করা যায় না। আইন অনুযায়ী, এমন অবস্থায় ওই কেন্দ্রের ফলাফল গ্রহণযোগ্য থাকে না। এছাড়া বুথ দখল করে একযোগে জালভোট প্রদান, একজনের একাধিকবার ভোট দেওয়া কিংবা সংঘবদ্ধ কারচুপি ‘ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার’ নির্বাচনের পরিপন্থি। এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে ফলাফল বাতিল করা হয়।

ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো, কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া, হুমকি বা জোরপূর্বক ভোটদানে প্রভাব বিস্তার করাও ভোট বাতিলের কারণ হতে পারে। এসব পরিস্থিতি ভোটারদের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ন করে এবং ভোটগ্রহণের পরিবেশ নষ্ট করে।

কখনও কখনও প্রিসাইডিং অফিসার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ, ইচ্ছাকৃত ত্রুটি, ফলাফল পরিবর্তন বা নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনাও সামনে আসে। কর্মকর্তার কারচুপি প্রমাণিত হলে সেই কেন্দ্রের ভোট বাতিল হতে পারে।

প্রযুক্তিগত ত্রুটিও একটি বড় কারণ। ব্যালট পেপার ভুল ছাপা, সিল বা সরঞ্জামের সমস্যা, ইভিএম বিকল হওয়া কিংবা ডেটা গরমিলের মতো ঘটনায় ভোট স্থগিত বা বাতিলের নজির রয়েছে।

কোনও এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ভোটার ও কর্মকর্তাদের জীবন-ঝুঁকি তৈরি হয়। এমন অবস্থায় নিরাপত্তার স্বার্থে ভোটগ্রহণ বন্ধ করার ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কর্মকর্তাদের। এছাড়া কোনও প্রার্থীর অভিযোগ বা রিটের ভিত্তিতে আদালত ভোট বা ফলাফল স্থগিতের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র বা আসনের ভোটও বাতিল বা স্থগিত করা হয়।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছেছে ৭ লাখ ৩০ হাজার পোস্টাল ভোট

ইসি জানায়, প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পেপার বিদেশে পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৫৭ জন প্রবাসী তাদের ভোট দিয়ে পুনরায় দেশে পাঠিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে এসে পৌঁছেছে ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯১৮টি ব্যালট। বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আর দেশের অভ্যন্তরে সরকারি চাকরিজীবী, কারাবন্দি ও যারা ভোটকেন্দ্রে যেতে অক্ষম, এমন ৭ লাখ ৬০ হাজার ৮৯৮ জন ভোটারের কাছে ব্যালট পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ৩ লাখ ১০ হাজার ১৫৪ জন ভোটার তাদের ব্যালট পূরণ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পোস্টাল ব্যালট সংগ্রহের প্রক্রিয়া এখনো চলমান। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত যেসব ব্যালট পেপার রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছাবে, কেবল সেগুলোই গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এরপরই শুরু হবে চূড়ান্ত ভোট গণনা কার্যক্রম।

১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। গতকাল মঙ্গলবার বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

এতে বলা হয়, এ নিষেধাজ্ঞা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য প্রযোজ্য হবে না। সরকরি/বেসরকারি ব্যক্তি/সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত গবেষণা, জরিপ, কৃষিকার্য ও পরিবীক্ষণ কার্যক্রম এবং সরকারি সংস্থা কর্তৃক আয়োজিত ইভেন্টের সম্প্রচার প্রয়োজনে যথারীতি বেবিচক বরাবর আবেদন পূর্বক সংশ্লিষ্ট সব এজেন্সির ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে উড্ডয়নের অনুমতি প্রদান করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোনো ব্যক্তি ড্রোন উড্ডয়ন করলে তা বেসামরিক বিমান চলাচল আইন-২০১৭ এর ২৪ ধারার অধীনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।