নিউ ইয়র্ক থেকে এইচ এম আকতার: নিউইয়র্কে মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকায় (মুনা) তাফসীরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল নিউইয়র্ক সময় (মঙ্গলবার) বিকেলে মুনার ব্রুকলিন ইস্ট চ্যাপ্টরের উদ্যোগে এই তাফসীরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মুনার ব্রুকলিন ইস্ট চ্যাপ্টারের সভাপতি মুহতাসিম সিরাজীর সভাপতিত্বে সেক্রেটারি নায়েব আলীর পরিচালনায় তাফসীর মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুনার ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমাম দেলোয়ার হোসাইন। প্রধান আলোচক হিসেবে তাফসীর পেশ করেন, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও ইসলামিক স্কলার মুহাদ্দিস মাহমুদুল হাসান, বিশেষ বক্তা হিসেবে আলোচনা করেন, মাওলানা ফখরুদ্দীন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, মুনার ন্যাশনাল এসিস্টেন্ট ডাইরেক্টর হাফেজ আবদুল্লাহ আল আরিফ, প্রফেসর ড, রুহুল আমিন, বায়তুল মামুর মসজিদের সহ-সভাপতি মোশাররফ মাওলা সুজন প্রমুখ।
ইমাম দেলোয়ার হোসাইন বলেন, নবী করিম (সা) রসুল হওয়ার আগেও আরবের মানুষের কাছে ভালো মানুষ ছিলেন। কিন্তু তিনি দাওয়াতি কাজ করার কারণেই তাঁকে আঘাত করা হয়েছে। তাঁকে পাগল বলা হয়েছে। তিনি বাধ্য হয়ে হিজরত করেন। কিন্তু আমরা নামাজ পড়ি রোযা রাখি কিন্তু দ্বীনের প্রচার করি না। একারণে আমাদের উপর আঘাত আসে না। আমাদের জান্নাতে যেতে হলে সৎ কাজের আদেশ আর অসৎ কাজে বাধা দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের আল্লাহর কাছে যেতে হবে। চাইলেই সে বেঁচে থাকতে পারবে না। আমেরিকায় যারা বসবাস করেন তাদের ২০ ভাগ মানুষ নামাজ পড়ে না। মানুষ নামাজ ছেড়ে কাজকে প্রধান্য দেয়। ধর্মীয় বিধি বিধান না মানার কারণে সংসার ভেঙে যাচ্ছে। সম্পদ মানুষকে শান্তি দিতে পারে না।
মুহাদ্দিস মাহমুদুল হাসান বলেন, আমাদের কুরবানি জীবন মরণ সব কিছু আল্লাহর জন্য। আমরা যেনো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বেচেঁ থাকতে পারি। ছাদ ইবনে মায়াজের মৃত্যুতে গোটা পৃথিবী কেঁপে উঠেছিল। সত্তর হাজার ফেরেস্তা তার রুহ বা আত্মা বহন করেছিল। আমাদের এমন জীবন গঠন করতে হবে।