চলতি মাসের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন মূল্য আজ রবিবার জানানো হবে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সৌদী আরামকো ঘোষিত জানুয়ারি (২০২৬) মাসের সৌদী সিপি অনুযায়ী, এই মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্য সমন্বয় সম্পর্কে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নির্দেশনা রবিবার বিকেল ৩টায় ঘোষণা করা হবে। গত বছরের ২ ডিসেম্বর সবশেষ সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম।

সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। রবিবার এলপিজির পাশাপাশি ঘোষণা করা হবে অটোগ্যাসের দাম।

এদিকে বাসা-বাড়িতে বেশি ব্যবহার হওয়া ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সরকার নির্ধারিত দরের চেয়ে রাজধানী ঢাকার কোথাও কোথাও প্রায় এক হাজার টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে শনিবার সন্ধ্যায় জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তরফে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা বলেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

তিনি বলেন, এলপিজির দাম নিয়ে বিইআরসি ও বিপিসিসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। আমি বিষয়টা পরিষ্কারভাবে বুঝতে চেষ্টা করছি। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করব জ্বালানি সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে।

সরকার নির্ধারিত দামে কখনই এলপিজি সিলিন্ডারের গ্যাস কিনতে পাওয়া যায় না। খুচরায় অন্তত দুইশ টাকা বেশি গুনতে হয় ক্রেতাদের। এখন যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে বাড়তি এক হাজার টাকা পর্যন্ত বেশি নেওয়া হচ্ছে। জ্বালানি খাতের মূল্য নির্ধারণকারী সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ডিসেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করেছিল ১,২৫৩ টাকা। কিন্তু রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় এ পরিমাণের গ্যাসের সিলিন্ডার ১,৮০০ থেকে ২,২০০ টাকা, কোথাও আরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ ভোক্তাদের।

অনেক জায়গায় আবার বাড়তি দাম দিয়েও সিলিন্ডার মিলছে না। এতে বাসাবাড়িতে খাবার রান্না করা নিয়ে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন এলপিজি ব্যবহারকারীরা। পাইপলাইনের গ্যাস নেই কিংবা চাপ না থাকায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেই অনেকে এলপিজি ব্যবহার করে থাকেন। হঠাৎ করে সংকট ও দাম বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে খুচরা বিক্রেতারা ডিলারদের দোষ দিচ্ছেন। এর বিপরীতে এলপিজি পরিবেশক ও অপারেটরগুলোর সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, গত মাসে (ডিসেম্বরে) আমদানি কমে যাওয়ায় সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে।