রাজধানীর হোটেল শেরাটন ঢাকায় ব্রাক ব্যাংকের উদ্যোগে পোস্ট-ইলেকশন ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, গবেষক, বুদ্ধিজীবী, সুশীল সমাজের সদস্য অংশ নেন।
গতকাল ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
পোস্ট-ইলেকশন রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র ও সুশাসন বিষয়ে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য এডভোকেট আতিকুর রহমান।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়কে শুধু ক্ষমতার পরিবর্তনের পর্যায় হিসেবে দেখলে চলবে না; বরং এটিকে জনগণের আস্থা পুনর্গঠন, রাষ্ট্রীয় বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিতকরণ এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রক্রিয়া ছাড়া রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
আতিকুর রহমান আরও বলেন, জনগণ যখন অনুভব করে যে তাদের ভোটের মূল্য রয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হচ্ছে, তখনই প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়। অন্যথায় রাজনৈতিক বিভাজন বৃদ্ধি পায় এবং সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের অংশগ্রহণ, ন্যায়বিচার ও নৈতিকতা। পোস্ট-ইলেকশন সময়ে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণ, সংলাপের সংস্কৃতি বিকাশ এবং সাংবিধানিক কাঠামোর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা সকল রাজনৈতিক শক্তির জন্য অপরিহার্য।
আতিকুর রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, রাজনৈতিক বৈধতা, সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিশীল ভবিষ্যতের দিকে অগ্রসর হতে পারবে।