পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দিল্লি সফর দুই দেশের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। যদি এই সফর থেকে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া যায় তবে শীতল সম্পর্ক আবার উষ্ণতায় রূপ নিতে পারে। তবে ফ্যাসিস্ট ও জুলাই গণহত্যার অভিযোগে ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানে ঢাকা-দিল্লীর শীতল সম্পর্ক কি উষ্ণ হবে তা নিয়ে কূটনৈতিক এবং ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষকদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর সৃষ্ট তলানিতে থাকা ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান আগামী ৭-৮ এপ্রিল ২০২৬ দিল্লি সফর করবেন। এটি বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার গঠনের পর কোনো বাংলাদেশি মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, সফরকালে তিনি মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে যোগ দেবেন। দিল্লি হয়ে মরিশাসে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সফরে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির সঙ্গী থাকবেন।

কূটনৈতিক এবং ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি ইস্যু সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি করেছে। বিষয়গুলো হলো; পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনার ভারতে অবস্থান, ওসমান হাদীর হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সালের ভারতে অবস্থান, গত বছরের শেষের দিকে ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হামলায় ভিসা সেন্টার বন্ধ (পরে চালু), ভারত ভিসা চালু না করা, তিস্তা নদীর পানি বণ্টন সমস্যা, সীমান্ত হত্যা, মাদক কারবার ও নিরাপত্তা ইস্যু, বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা, আঞ্চলিক ভূরাজনীতি বা ভারতে বসে ফ্যাসিস্ট হাসিনার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য, অসম চুক্তি বা প্রত্যাশা পূরণে বিলম্ব সম্পর্ক শীতল হওয়ার কারণ। তবে ফেব্রুয়ারিতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর এই সফরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। এই সফরটি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে কূটনৈতিক মহলে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আগের তুলনায় অনেকটা বেড়েছে। দীর্ঘ ৯ মাস পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে সাক্ষাৎ দিয়েছেন। যার ধারাবাহিকতায় আগামী ৭-৮ এপ্রিল বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লি সফর করবেন। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক পুনরায় প্রতিষ্ঠা গুরুত্ব পাবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম ভারত সফরের মূল লক্ষ্য আস্থার সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠাকরা। যা গত ৫ আগস্টের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দুই দেশের মধ্যে যে অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, এই সফরের মাধ্যমে তা দূর করে আস্থার সম্পর্ক পুনরায় প্রতিষ্ঠা করা প্রধান লক্ষ্য। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের সাথে বৈঠকের পাশাপাশি ভারতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া এই সফরে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদ্বীপ সিং পুরির সঙ্গেও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকের বিষয়ে ঢাকা-দিল্লির কূটনীতিকরা কাজ করছেন। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক ফেরাতে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশ্ববাজারে অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ভারতের কাছ থেকে হাই-স্পিড ডিজেলসহ জ্বালানি পণ্য আমদানির বিষয়টি আলোচনায় প্রাধান্য পাবে। বাংলাদেশিদের জন্য ভারতে ভিসা প্রাপ্তি সহজ করার বিষয়টিও কূটনৈতিকভাবে উত্থাপন করা হবে।

দিল্লির স্পষ্ট বার্তা: দিল্লির একটি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের পটপরিবর্তনের পর ভারত সরকার একাধিক মাধ্যমে, একাধিক বার্তায় স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানায় যে ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশের যেকোনো সরকারের সঙ্গে কাজ করবে ভারত। গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের নির্বাচনের পর ভারতের বার্তা আরও স্পষ্ট হয়েছে। বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের স্পিকার এবং পররাষ্ট্র সচিব অংশ নিয়েছে। ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার নতুন সরকারের সব মন্ত্রীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশারকে সাক্ষাৎ দিয়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই সফরে ভারতের কাছে জাতিসংঘের ভোট ইস্যুতে সমর্থন চাওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার হিসেবে গুরুত্ব পাবে।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এক বার্তায় জানান, বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। যেখানে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে। ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা এক বার্তায় বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কটি জনগণের সঙ্গে জনগণের বন্ধনের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত এবং পারস্পরিক স্বার্থ ও পারস্পরিক কল্যাণের ভিত্তিতে সব ক্ষেত্রে জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে ভারত প্রস্তুত রয়েছে। ঢাকায় অবস্থিত ভারতের হাইকমিশন জানিয়েছে, হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা গত ২১ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঈদের উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম গত মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওরা ভিসা স্বাভাবিকীকরণ করবে। আমি মনে করি দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা, বাণিজ্য, জনগণ থেকে জনগণের সম্পর্ক, এমনকি মেডিকেল ভিসা স্বাভাবিক করার জন্য ভিসা সহজীকরণ মানে আগের জায়গায় ফিরে যাওয়া উচিত। তারা নিশ্চয়ই এটা করবে, আমাদের তারা বলেছেও। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সরকার এখন বাংলাদেশে ক্ষমতায় এসেছে। নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারাই বলেছে, নতুন করে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে তারা সম্পর্ক রাখতে চায়।

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাহাবুল হক দৈনিক সংগ্রামকে বলেন, ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের দীর্ঘস্থায়ী ভিত্তি মজবুত করতে হলে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান এবং সমতার নীতি থাকা অপরিহার্য। বিশেষ করে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের আকাক্সক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন করে সম্পর্ক পুনর্গঠনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর সমাধানের বিষয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি, সীমান্তে হত্যা বন্ধ এবং বাণিজ্যিক ভারসাম্যহীনতা দূর করার মতো পুরনো সংকটগুলো সমাধানে ভারতের পক্ষ থেকে ইতিবাচক ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ সম্পর্কের নতুন মোড় ঘুরাতে পারে। সম্পর্ক কেবল সরকার টু সরকার (এ২এ) পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না থেকে যদি দুই দেশের জনগণের মধ্যে (চ২চ) যোগাযোগ এবং আস্থার পরিবেশ তৈরি করে, তবেই তা সফল হবে।

নতুন সরকারের সাথে ভারত সম্পর্ক স্থাপনের বহুমুখী তৎপরতা: হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা গত ১১ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী, ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং এই দুই দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিবিষয়ক সহযোগিতা সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে মতবিনিময় করেন। এই সময়ে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতও উপস্থিত ছিলেন। ভারতের হাইকমিশনার গত ২৪ মার্চ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের অন্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাবৃন্দের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতও উপস্থিত ছিলেন। হাইকমিশনার গত ১৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর (অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়)-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। হাইকমিশনার গত ৯ মার্চ সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ও সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। হাইকমিশনার গত ৮ মার্চ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা গত ৩ মার্চ স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়ক মন্ত্রী, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তিনি গত ২ মার্চ বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই সময়ে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমও উপস্থিত ছিলেন। হাইকমিশনার ১ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করেন।

হাইকমিশনার গত ২২ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসব সাক্ষাতে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং শক্তিশালী করার বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে। ভারতের হাইকমিশন আরও জানিয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংযুক্তি। এরই মধ্যে জ্বালানি ইস্যুতে ঢাকার পক্ষ থেকে বাড়তি সহযোগিতার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে দিল্লি। জ্বালানিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে তারা এই দুই দেশের মাঝে পরিবহন, জ্বালানি ও ডিজিটাল সংযুক্তি সুদৃঢ় করার উপায়সহ ভারত-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থ ও পারস্পরিক কল্যাণের ওপর ভিত্তি করে এই দুই দেশের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উন্নয়নমূলক অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জনগণকেন্দ্রিক নানা খাতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলো নিয়েও আলোচনা করেন।

সিলেটে অবস্থিত ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের কার্যালয় জানিয়েছে, সহকারী হাইকমিশনার গত ২৭ মার্চ সিলেটের মৌলভীবাজারের মাধবপুরস্থ স্থানীয় মণিপুরি সম্প্রদায়ের সঙ্গে একটি মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সভাপতি খায়রুল হোসেনের নেতৃত্বে সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির একটি দল ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে অবস্থিত চাশ্রমিকদের প্রতিনিধিরা সিলেটে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।