নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা পুনর্গঠন করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে এসেছি ট্রাস্ট বিল্ডিং করতে। আমরা জনগণকে বোঝাতে চাই, একটি স্বচ্ছ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে যাচ্ছে সরকার।

গতকাল সোমবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)’র আয়োজনে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিএমইউজে) সহযোগিতায় চট্টগ্রাম জেলার সাংবাদিকদের ‘নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দুদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্রথম দিনে ১০০ জন কর্মরত সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ।

ড. জিয়াউদ্দীন বলেন, ‘একটি প্রশিক্ষণে মূলত দুটি বিষয় থাকে। একটি ইনফরমেশন, অপরটি ফিলোসফি। ইনফরমেশনের মধ্যে পড়ে নির্বাচন কীভাবে পরিচালিত হবে, আচরণবিধিতে কী আছে, কীভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে, এসব বিষয়। আর ফিলোসফি হচ্ছে কেন এই দায়িত্ব পালন করতে হবে, আপনাদের কাছে কী প্রত্যাশা করা হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের কী উপকার হবে।’

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে। এর পেছনে আমরা প্রত্যেকেই কমবেশি ভূমিকা রেখেছি। বিভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে জনগণের বিশ্বাস ভেঙে পড়েছে।’ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, গণভোটের বিষয়ে এখনো মানুষের মধ্যে নানা ধরনের বিভ্রান্তি কাজ করছে। গণভোটে ‘হ্যাঁ দিলে কী হবে, ‘না’ দিলে কী হবে, এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার বড় অভাব রয়েছে। এই অভাব দূর করার দায়িত্ব সাংবাদিকদেরই নিতে হবে।