পবিত্র রমযান মাসে ইফতারের জন্য সন্ধ্যায় মেট্রোরেল স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম ও ট্রেনে জনপ্রতি ২৫০ মিলিলিটার পানি বহন করা যাবে। রমযানে ব্যস্ততম সময়ে কমিয়ে আনা হয়েছে হেডওয়ে(দুই ট্রেন স্টেশন ক্রস করার মধ্যবর্তী সময়)। গতকাল মঙ্গলবার মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এসব তথ্য জানিয়েছে।

ডিএমটিসিএলের পক্ষ থেকে পবিত্র রমযান মাস উপলক্ষে মেট্রোরেল চলাচলের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়। এতে রমযানে ইফতারের সুবিধার্থে পানি বহনের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম রোজা থেকে নতুন সূচি অনুযায়ী পিক আওয়ারে ৬মিনিট পরপর ট্রেন চলাচল করবে।

ডিএমটিসিএলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পবিত্র রমযানের সময় ইফতারে পানি পান করার জন্য প্রত্যেক যাত্রী মেট্রোরেল ও স্টেশন এলাকায় শুধু ২৫০ মিলিলিটার পানির বোতল বহন করতে পারবেন। তবে পানি যেন পড়ে না যায়, সেই বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ব্যবহৃত পানির বোতল অবশ্যই প্ল্যাটফর্ম/ কনকোর্স/ প্রবেশ ও বাহির হওয়ার গেটে থাকা ডাস্টবিনে ফেলতে হবে। এতে আরো বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই প্ল্যাটফর্ম, কনকোর্স ও মেট্রোরেলের ভেতর অন্য কোনো খাবার গ্রহণ করা যাবে না। শনিবার ও অন্যান্য সরকারি ছুটির দিনে এবং শুক্রবারের সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএমটিসিএল।

ব্যস্ত সময়, অর্থাৎ দুপুর ২টা ৫৭ থেকে বিকেল ৫টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত হেডওয়ে ২ মিনিট কমিয়ে সাড়ে ৫ মিনিট থেকে ৬ মিনিট করা হয়েছে। রাত ৯টা ১ মিনিট থেকে ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ট্রেনের জন্য যাত্রীদের ১৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। মতিঝিল থেকে উত্তরা-উত্তর রুটেও রাত ৯টা ৪১ মিনিট থেকে ১০ টা ১০ মিনিট পর্যন্ত শেষ সময়ের ট্রেনগুলোর হেডওয়ে বাড়িয়ে ১৫ মিনিট নির্ধারণ করা হয়েছে।