আসন্ন ঈদে যাত্রীদের ওপর বাড়তি ভাড়া চাপানোর সুযোগ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু ,রেলপথ এবং নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেন, ঈদকে সামনে রেখে সড়ক, রেল ও নৌপথে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘœ করতে সমন্বিত প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ঈদযাত্রা ঘিরে সরকারের প্রস্তুতি সম্পর্কে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, গত প্রায় ১০ দিন ধরে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সমন্বয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। যাত্রীচাপ সামাল দিতে মাঠ প্রশাসন, মোবাইল টিম, নৌপুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ এবং প্রয়োজনে সেনাবাহিনীও দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি বলেন, ঈদের সময় সড়কে অস্থায়ী বাজার, অবৈধ পার্কিং বা দখল যাতে সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে। বাস ও লঞ্চ মালিক সমিতির সঙ্গে বৈঠকে ভাড়া বাড়ানো হবে না-এ মর্মে অঙ্গীকার নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বাস মালিকদের পক্ষ থেকে খালি বাস ফেরার ক্ষেত্রে সেতু পারাপারের টোল মওকুফের দাবি তোলা হয়েছে। বিষয়টি বিবেচনায় থাকলেও যাত্রীদের ওপর বাড়তি ভাড়া চাপানোর সুযোগ দেওয়া হবে না বলে সরকার স্পষ্ট করেছে।
ঈদের সময় দুই দিনে দেড় কোটি মানুষের ঢাকা ত্যাগ একটি বড় চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতি ঈদে অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি মানুষ রাজধানী ছাড়েন, যা বিশ্বের বড় নগরীগুলোর মধ্যে বিরল ঘটনা।
বিপুল এই যাত্রীচাপই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে সরকার। যাত্রীদের অনিরাপদ ও অননুমোদিত যানবাহনে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ঈদের ছুটি একদিন বাড়ানোর প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি এখনো বিবেচনাধীন রয়েছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
সামগ্রিক প্রস্তুতি ও সবার সহযোগিতায় স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন রবিউল আলম।
চারদিনে সাবেক
(১২-এর পৃঃ ৫-এর কঃ পর)
কোনো ব্যবস্থা নেননি।
জিয়াউল আহসানের আইনজীবীর অপর এক প্রশ্নের জবাবে ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, সেনাপ্রধানের আদেশ অমান্য করলে সেনা আইন অনুযায়ী শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে জিয়াউল আহসান র্যাবে কর্মরত থাকায় তার আদেশ অমান্যের জন্য কোনো ‘ওয়ার্নিং’ বা ব্যাখ্যা চাওয়া হয়নি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী হাসান দাবি করেন, সেনাপ্রধান থাকাকালীন ইকবাল করিমের সব বৈধ আদেশই জিয়াউল আহসান মেনে চলেছেন এবং কোনো কিছুই অমান্য করেননি। এর প্রত্যুত্তরে সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, ‘জিয়াউল আহসান আমার কোনো বৈধ আদেশ অমান্য করেননি এ তথ্যটি সত্য নয়।’ টানা চার দিনব্যাপী জেরা শেষ হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল আগামী ৯ মার্চ পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।