মধ্য পৌষে এসে অনেকটা জেঁকে বসেছে শীত। কুয়াশাচ্ছন্ন দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে সূর্যের দেখা মিলছে না। রাজধানী ঢাকায় জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। তীব্র ঠাণ্ডার মধ্যে জবুথবু অবস্থায় সাধারণ মানুষ। তবে হঠাৎ করে ঢাকায় এতো বেশি শীত পড়ার কারণ কী বা কবে এই শীত থেকে রেহাই পাবে রাজধানীবাসী- এ বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান শীত পড়ার কারণ হিসেবে দুটি বিষয় উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, সূর্যের আলো না থাকায় বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সঙ্গে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান অনেক কমে গেছে। সেই সঙ্গে সূর্যের আলো না থাকার কারণে শীতের তীব্রতা বেশি মনে হচ্ছে।

গতকাল সকালে রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান মাত্র ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মূলত সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান এতো কম হওয়ার কারণে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। আগামী ৫ দিনের শেষ দিকে রাত ও দিনের তাপমাত্রা ফের কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবওহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার এই শীতের তীব্রতা কমতে পারে বলেও জানান তিনি।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আজ বুধবার সকাল ৯টার মধ্যে সারা দেশে হালকা/গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এছাড়া সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানায় সংস্থাটি।

আবওহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোর ছয়টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কিশোরগঞ্জের নিকলিতে দেশের সর্বনিম্ন ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বান্দরবনে ২৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে টানা তিনদিন ধরে সূর্যের দেখা মেলেনি দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও, দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে যাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই দিনে বিকেল ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং নীলফামারীর ডিমলায় ১৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায়- ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

হিমালয় থেকে ঘণ্টায় প্রায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বয়ে আসা ঠা-া বাতাস পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে পঞ্চগড়ে। আকাশ পরিষ্কার থাকায় এবং হালকা কুয়াশার কারণে উত্তরের ঠাণ্ডা বাতাস খুব সহজেই এ অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানায় জেলার আবহাওয়া কর্মকর্তা। তীব্র শীতের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। অনেকেই বাধ্য হচ্ছেন ঘরের ভেতর থাকতে। পঞ্চগড়ে 'কয়েকদিন ধরে সূর্যের দেখা নেই। দিনভর উত্তর দিক থেকে ঠাণ্ডা বাতাস বইছে, যে কারণে একটানা কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। দিন ও রাতের তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগির সংখ্যা বেড়েছে।

শ্রীপুর (মাগুরা) সংবাদদাতা : মাগুরায় বেড়েই চলেছে শীত! তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জীবন। প্রতিনিয়তই বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ! পৌষ মাসের শুরুতে শৈত প্রবাহ, কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে জনজীবন হচ্ছে আরো বিপর্যস্ত। গত কয়েকদিনে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় মানুষ জবুথুবু হয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন সকাল থেকে শৈত প্রবাহ, তীব্র কুয়াশায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সকাল থেকেই মিলছে না সূর্যের দেখা। তবুও ভোর হতেই কিছু কর্মব্যস্ত মানুষ বেরিয়ে পড়েছে কাজের সন্ধানে। শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় মাগুরার বিভিন্ন সড়কে ভোর হতেই মানুষের তেমন আনাগোনা নেই। গতকাল মঙ্গলবার ভোর থেকে মাগুরা একতা কাঁচা বাজারে সবজি বোঝাই করে বিভিন্ন নসিমন চলাচল করতে দেখা গেছে। এইসব নছিমনে শীতের সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, সিম বহন করতে দেখা যায়। নসিমনের চালকরা তীব্র শীত উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন। কুয়াশা আর শৈত প্রবাহের কারণে সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ঘটছে দুর্ঘটনা।

অনেক রিক্স চালকরা বলেন, পরিবার-পরিজনের কথা চিন্তা করে সড়কে তীব্র শীত উপেক্ষা করে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সড়কে কিছু লোক বের হলেও রিকশায় উঠতে চায় না। তাই তীব্র শীতে পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে আছি।

বেলা বাড়ার সাথে সাথে তীব্র শীত উপেক্ষা করে কর্মক্লান্ত মানুষকে কাজে যেতে দেখা যায়।এদিকে তীব্র শীত বেড়ে যাওয়ায় লেপ তোসকের দোকানে ভিড় বেড়েছে।

নিম্ন আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত মানুষেরা শীতের কাপড় কিনতে ভিড় করছেন শহরের ফুটপাতে দোকান গুলোতে।

অন্যদিকে, শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ঠান্ডা জনিত রোগের শিশুর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে।

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাত : পৌষ মাসের মাঝামাঝিতে হাড়কাঁপানো শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছেন নীলফামারীর সৈয়দপুরের ছিন্নমূল ও শীতার্ত মানুষ। নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষজন শীতের দাপটে কাহিল। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন তারা।

গতকাল মঙ্গলবার সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সকালে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাতাসের আর্দ্রতা ৯৬ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ নেই বললেই চলে।

তবে কয়েক দিনের তুলনায় কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় দৃষ্টিসীমা ছিল ২০০ থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে। এবার শীতে পারদ ১০ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ওঠানামা করছে।

সৈয়দপুর শহরের পোষ্ট অফিস মোড়ের জুতার কারিগর রাজু রায় (৩২) জানান, ‘কনকনে ঠাণ্ডায় সকালবেলা জুতার কাজ করা খুবই কঠিন। কিন্তু হাতের এই কাজ না করলে পেটে ভাত জোটে না। বাধ্য হয়ে পেটের দায়ে সেলাই ও পলিশের কাজ করতে হয়। আমাদের কষ্ট দেখার কেউ নেই।’

খাতামাধুপুর ইউনিয়নের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ঝন্টু (৪২) জানান, ‘কয়েক দিন ধরে কনকনে ঠাণ্ডায় আমার অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে। এ ঠাণ্ডায় ঘরে থাকি, বাইরে যাওয়া হয় না। গায়ে গরম কাপড় নেই, হাতে টাকা-পয়সা নেই। কাপড় কিনবো কি দিয়ে? অন্ধ মানুষ কাজে যেতে পারি না, জীবন আর চলে না আমার।’

কয়া মিস্ত্রিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বিমল রায় (৫৬) জানান, ‘ভাঙা ঘরের চাটাই (বেড়া) দিয়ে হু হু করে বাতাস ঢোকে। আমার কপালে শীতের কাপড়ই জোটে না। গতবার মেম্বার একটি কম্বল দিয়েছিলেন, পুরোনো কম্বলটি ছিঁড়ে গেছে। এবার আশায় আছি কেউ যদি একটি কম্বল দেয়, তাহলে এবার ঠাণ্ডা কোনোরকমে কাটানোর পাই।’

কৃষিনির্ভর সেচনির্ভর বোরো মৌসুমে কৃষকরা বীজতলা প্রস্তুুত, বীজ বপন ও জমি তৈরি করতে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। শীতের তীব্রতায় গ্রামের হাটবাজার ও শহরে লোকসমাগম একেবারে কমে গেছে। সন্ধ্যা নামতেই হকার ও পথচারীরা বাড়ি ফিরছেন।

এদিকে দিনের বেলাতেও যানবাহনের হেডলাইট জ্বালিয়ে প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত করছেন মানুষ। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না। খেটে খাওয়া মানুষ হাত গুটিয়ে বসে আছেন। কেউবা আগুন তাপিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। গৃহস্থবাড়ির লোকজন গবাদিপশুকে চট মোড়িয়ে ঠাণ্ডা বাতাস থেকে রক্ষা করছেন।

সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. লোকমান হাকিম জানান, আগামী এক সপ্তাহ নীলফামারী ও সৈয়দপুরে একই রকম তাপমাত্রা অব্যাহত থাকতে পারে।

পুরাতন গরম কাপড় ব্যবসায়ী বাবু বলেন, কয়েকদিন থেকে ঠান্ডার কারণে গরম কাপড় বেচাকেনা বেড়েছে। এই রকম তাপমাত্রা থাকলে বেচাকেনা বাড়বে। প্রতিদিন দুই হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত কাপড় বিক্রি করছি।

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সংবাদদাতা : চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় তীব্র শীতের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ভোরে এ উপজেলায় সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় মানুষ কাহিল হয়ে পড়েছে।

শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক, ভ্যানচালক ও ছিন্নমূল মানুষ। শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই কাজে বের হতে পারছেন না। সকাল থেকে কুয়াশায় ঢেকে থাকায় যানবাহন চলাচলও ব্যাহত হয়েছে।

শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে সর্দি-কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শীতজনিত রোগে রোগীর চাপ বেড়েছে।

এদিকে তীব্র ঠান্ডায় আমের মুকুল ও শীতকালীন ফসল ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

শীতার্ত মানুষের জন্য দ্রুত শীতবস্ত্র বিতরণ ও জরুরি সহায়তা কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ধামরাই (ঢাকা) সংবাদদাতা : ধামরাইয়ে জেঁকে বসেছে শীত। উপজেলার ১৬ ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় ৫ দিনে ও সূর্যের কোন দেখা মিলেনি। তীব্র শীতের কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্টের সীমা নেই । এই শীতকে উপেক্ষা করে কৃষকরা কৃষি কাজে থাকলেও তাদের নেই পর্যাপ্ত শীতের পোশাক। শিশু ও বয়স্করা শীতে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এই শীতে নিম্ন আয়ের মানুষের কাজকর্ম কম থাকায় খাদ্য কষ্টে ভুগছে অসহায় মানুষগুলো।

আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা : বরগুনার আমতলীতে গত দুই দিন ধরে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝড়ছে কুয়াশা।উপজেলার অনেক স্থানে দৃষ্টিসীমা ৬০ মিটারের নিচে নেমে এসেছে।সারা দিনেও সূর্যের দেখা মিলছে না।গ্রাম অঞ্চলের বাসা বাড়িতে দেখা গেছে শীতে কাবু মানুষরা শীত নিবারনের জন্য খড়কুটা জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে সড়কগুলো ভিজে পিচ্ছিল হয়ে গেছে।ফলে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে যানবাহন। ওসই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় আমতলীতে সর্বনি¤œ তাপমাত্রা ১২ দশমিক ১০ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে কলাপাড়া আবহাওয়া অফিস।

তীব্র শীতওঘন কুয়াশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নি¤œ আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। জীবিকার তাগিদে বের হওয়া শ্রমিক ও যানবাহন চালকরা বিপাকে পড়েছেন। অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হাসপাতালগুলোতে ঠাণ্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

সবচেয়ে বড় বিপাদে পড়েছে গ্রামের কৃষকরা অনেক গৃহস্থলি বাড়ি ধান সিদ্ধ করেছে সারা বছরের চাল তৈরি করার জন্য। কিন্তু সূর্যেও দেখা না মিলায় ধানচাল নষ্ট হওয়ার পথে বসেছে।