তার বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ। এসব অভিযোগের পাহাড় নিয়ে তিনি যখন চাকরি থেকে অবসর নিবেন ঠিক সেই সময় নিয়মনীতি ভঙ্গ করে তাকে ফের নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) এমডি পদে দায়িত্ব দেয়া হলো। তিনি হলেন পাবনা রূপপুর প্রকল্পের বিদায়ী প্রকল্প পরিচালক ড. জাহেদুল হাছান । দেশের সবচেয়ে স্পর্শকাতর ও ব্যয়বহুল কর্মযজ্ঞ রূপপুর প্রকল্পেও তার নিয়োগ ছিলো অবৈধ।
চলতি মাসে চাকারি থেকে অবসরে যাওয়ার কথা ছিল ড. জাহেদুল হাছানের। তবে গত ২৬ মে ড. জাহেদুলকে অন্তর্বর্তীকালীন এমডি নিয়োগ করায় কোম্পানি আইন অমান্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কোম্পানি আইন-২০১৫-এর ৯(৪) অনুযায়ী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের (১ম পর্যায়) প্রথম প্রকল্প পরিচালক কোম্পানির প্রথম ব্যবস্থাপনা পরিচালক হতে পারবেন।
কিন্তু প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হয়েছিল ২০১৭ সালের ১ ডিসেম্বর। সম্প্রতি এক অডিট রিপোর্টে উঠে এসেছে, সার্কুলার অনুযায়ী কোম্পানির পরবর্তী ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ না হওয়ায় এমডির কর্মকাল আইনগত বৈধতা হারিয়েছে। কোম্পানি আইন অনুযায়ী এখনো কোনো ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ হয়নি। ড. জাহেদুলের বিগত সময়ে ওই পদে থাকাও আইনগত অবৈধ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু প্রকল্প পরিচালক ও কোম্পানির এমডির পদই নয়, ড. জাহেদুল স্টেশন ডিরেক্টর, মানবসম্পদ, অর্থ ও প্রশাসন বিভাগের প্রধানের পদ কুক্ষিগত করে রেখেছেন। তার অদূরদর্শী পরিচালনা ও চরম অব্যবস্থাপনায় প্রকল্পটি বর্তমানে নানা সংকটে নিমজ্জিত। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকারের সময় প্রকল্প পরিচালক পদে নিয়োগ পাওয়া ড. জাহেদুল এমডি পদে স্থায়ী নিয়োগ পেতে তৎপরতা চালাচ্ছেন। কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ড. জাহেদুল প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান সংকটগুলো সমাধান না করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মিথ্যা আশ্বাস প্রদান, অযথা কারণ দর্শানোর নোটিস প্রদান, সিন্ডিকেট তৈরির মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ফ্যাসিবাদ কায়েম এবং অব্যাহত অপেশাদার আচরণে স্বাভাবিক, সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে এনপিসিবিএলের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক হতাশা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
গত ২৫ মে রূপপুর প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) পদ পরমাণু শক্তি কমিশনের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. কবীর হোসেনকে নিয়োগ দেয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। আর ২৬ মে ড. জাহেদুলকে এনপিসিবিএলের অন্তর্বর্তীকালীন এমডির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এনপিসিবিএল ২০১৫ সালে গঠিত হয়। প্রকল্প পরিচালক হিসেবে ড. জাহেদুল একযোগে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্টেশন ডিরেক্টর, মানবসম্পদ, অর্থ ও প্রশাসন বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। কর্মকর্তারা বলছেন, এ কারণে প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে এবং প্রকল্প পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি অনুপস্থিত।
জানা গেছে, ড. জাহেদুল হাছান ছিলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রকল্প পরিচালক, তিনি শেখ রেহানার আর্শিবাদে গত বছরের ১৫ই মে ২০২৪ সালে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) নিয়োগ পাওয়ার পরদিনই আওয়ামী প্রীতি দেখাতে টুঙ্গীপাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমানের মাজারে ফুল দিতে যান। তারপরও হয়েছেন নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
জানা গেছে, বাংলাদেশের মানুষের আশার প্রদীপ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হওয়ার কথা ছিলো ২০২৪ সালে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেটি চালু হয় নাই। সম্প্রতি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে আশাহত হন। কবে নাগাদ এই প্রকল্প চালু হবে তার সদ্দুত্তর দিতে পারেননি ড. জাহেদুল।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক অডিট রিপোর্টে দেখা গেছে, প্রকল্পের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি পরিদর্শনের জন্য রাশিয়া সফরের ক্ষেত্রে প্রকল্প পরিচালক অনুমোদনহীনভাবে প্রায় দুই কোটি ৮০ লাখ টাকা উত্তোলন করেছেন। যদিও রাশিয়ার তিনটি অঞ্চলে প্রকল্প কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত আবাসন সুবিধা রয়েছে, তিনি সেখানে না থেকে হোটেল ভাড়া দেখিয়ে এই অর্থ উত্তোলন করেন। শুধু তাই নয়, ব্যক্তিগত বাসা ভাড়ার নামে রাশিয়া সফরে আরো প্রায় ৭৭ লাখ টাকা ব্যায় করেছেন।
২০১৮ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ড. জাহেদুল রাশিয়া সফর করেছেন ৬২ বার। প্রকল্পের কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, এসব সফরে যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে পরীক্ষা না করে অনুমোদন দিয়েছেন তিনি। এমনকি যোগ্যতার বিবেচনা ছাড়াই পছন্দের ব্যক্তিদের রাশিয়ায় পরিদর্শনে পাঠানোর অভিযোগও উঠেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মূল প্রকল্পের বাইরেও বাড়তি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্প, বিটিসিএলের সঙ্গে যৌথভাবে এইআরএমএস, এলডব্লিউএস ও ডব্লিউএমএস পদ্ধতি স্থাপন ইত্যাদি। অথচ এসব ব্যবস্থা মূল রুশ চুক্তির মধ্যেই থাকার কথা ছিল। চুক্তির সময় প্রধান আলোচক ছিলেন ড. জাহেদুল। অনেকে মনে করছেন, তার অদক্ষতা ও অদূরদর্শিতার কারণে প্রকল্প ব্যয় অপ্রয়োজনে বাড়ছে।
প্রকল্পটি ২০২৪ সালে চালু হওয়ার কথা থাকলেও এখনো তা সম্ভব হয়নি। সরকারি উচ্চপর্যায়ের পরিদর্শনের পরও প্রকল্প পরিচালক প্রকৃত সময়সীমা জানাতে পারেননি। পিজিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এ বছর থেকেই বিদ্যুৎ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত। কিন্তু প্রকল্প কর্তৃপক্ষ এখনো বাণিজ্যিক উৎপাদনের দিনক্ষণ জানাতে পারেনি।
গত ৬ মে প্রকল্প নিয়ে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তারা অভিযোগ করেন, শৃঙ্খলার প্রশ্ন না থাকলেও তাদের ওপর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ৮ মে সকালে বিনা নোটিসে ১৮ কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে আরো ১১ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। অব্যাহতিপত্রে শুধু লেখা হয়Ñ ‘আপনার সার্ভিসের আর প্রয়োজন নেই।’ অথচ তাদের প্রশিক্ষণে প্রতিজনের পেছনে সরকারের ব্যয় হয়েছে কোটি টাকার বেশি।
বহিষ্কৃত কর্মকর্তারা বলেন, তারা প্রকল্পে নিজেরা কাজ করতে চেয়েছিলেন, চেয়েছিলেন মানবিক পরিবেশ, যেমন পর্যাপ্ত বসার জায়গা, চিকিৎসা ভাতা, ক্যান্টিন সুবিধা, অপারেশন স্পেয়ার পার্টস ও ওয়্যারহাউস সুবিধা। এর প্রতিক্রিয়ায়ই তাদের বরখাস্ত করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ও ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) বিবৃতি দিয়ে বলে, কোনো কারণ ছাড়া প্রকৌশলীদের বরখাস্ত মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের শামিল এবং প্রকল্প পরিচালনার স্বচ্ছতা বিঘ্নিত করছে।
এদিকে প্রকল্প কর্মকর্তাদের অভিযোগ, নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দল ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট জোর করে চেক করছে। কেউ অস্বীকৃতি জানালে ডিউটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি গোপনীয়তা ও মানবাধিকারের পরিপন্থী।
প্রকল্পের পরিবেশ আরো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন অভিযোগ ওঠে, ১৫ মে ঈশ্বরদীতে স্থানীয় কিছু লোকজন দিয়ে প্রকল্প কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধনের আয়োজন করেন ড. জাহেদুল। এতে দাবি করা হয়, প্রকল্প বন্ধের ষড়যন্ত্র চলছে। কর্মকর্তারা বলেন, প্রকৃতপক্ষে ওই কর্মসূচি ছিল প্রকল্পের তৎকালীন পরিচালকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আড়াল করার কৌশল।
প্রকল্পের কর্মকর্তারা বলেন, ২০২৬ সালেও ১ম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে পিজিসিবি গ্রীডে দেওয়ার ব্যাপারে সন্দিহান। সিডিউল মোতাবেক বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে না পারায় এতোদিন প্রকল্প কর্তৃপক্ষ করোনা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, পিজিসিবির সঞ্চালন লাইন নির্মাণ এর অজুহাত দিয়ে নিজেদের দায়ভার এড়ানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্ত বাস্তবে তার উল্টা চিত্র ফুটে এসেছে। পিজিসিবি কর্তৃপক্ষ বলছেন, তারা এই বছরেই বিদ্যুৎ পরিবহন করতে সক্ষম। কিন্তু ড. জাহেদুল বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কোন দিনক্ষণ দিতে পারে নাই। তার অদক্ষতার জন্যই বারবার ডিজাইন চেঞ্জ করতে হয়েছে, যন্ত্রপাতির ত্রুটির জন্য সিডিউল বিপর্যয় হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, তার শক্তির মূল উৎস বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা। তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব। হাসিনার সুরক্ষা সেলের সেবক এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। যিনি দেশে ফ্যাসিজম কায়েম-এর অন্যতম মাস্টারমাইন্ড।
প্রকল্পের কর্মকর্তারা ইতিপূর্বে ড. জাহেদুলের দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, বৈষম্য নিয়ে লিখিত অভিযোগ জানান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, সিনিয়র সচিব বরাবর। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় ড. জাহেদুল উল্টা প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উঠেন। রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনায় ড. জাহেদুল ছিলেন একেবারেই অনভিজ্ঞ। তার স্বৈরাচারী শাসন, দমন-পীড়ন দুর্নীতির অভিযোগ এনে সম্প্রতি প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তার অপসারণের দাবিতে কোম্পানির চেয়ারম্যান বরাবর প্রায় ১২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারি স্বাক্ষরিত চিঠি প্রেরণ করে।
জানা গেছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিষ্ঠান এবং দেশের স্বার্থে প্রতিবাদ শুরু করলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শোকজ, ওয়ার্নিং, স্ট্যান্ড রিলিজ, বরখাস্ত, প্রকল্পে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার মতো পদক্ষেপ নেন তিনি। কর্মকর্তা কর্মচারিরা তার অব্যবস্থাপনা, নৈরাজ্য, দমননীতি, দুর্নীতির অভিযোগ এনে গত ৬ মে প্রকল্প এলাকা থেকে প্রায় ১০ কি. মি. দূরে মানববন্ধন ও প্রেস ব্রিফিং করেন। যার ফলে ঐদিন হঠাৎ সার্ভিস রুলস প্রকাশ করেন এবং ৮ মে ভোররাত ৪ টায় ইমেইলে ১৮ জন কর্মকর্তাকে বিনা নোটিশে, কোন কারণ ছাড়াই অব্যাহতিপত্র দেয়া হয়। দীর্ঘ ১০ বছর সার্ভিস রুলস না দিয়ে হঠাৎ অনুমোদন দিয়ে ১৮ জনকে বরখাস্ত করা নিতান্তই উদ্দেশ্যপ্রণেদিত। এছাড়া পরবর্তীতে আরো ১১ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।
অব্যাহতিপত্রে শুধু বলা হয় “আপনার সার্ভিসের আর প্রয়োজন নেই”, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয়নি এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগও দেওয়া হয়নি। অথচ রাষ্ট্রীয় খরচে তাদেরকে দীর্ঘমেয়াদি আধুনিক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়, জনপ্রতি সরকারের খরচ হয় প্রায় ১ কোটি টাকার বেশি। এজন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে নেয়া হয়েছিলো ১০ বছরের সিকিউরিটি বন্ড। নিয়োগে ছিলো না কোন চুক্তিভিক্তিক শর্ত, তাই প্রশ্ন থেকেই যায় এই লোকবল ছাঁটাই রাষ্ট্রের জন্য কতটা ক্ষতিকর।
অব্যাহতি পাওয়া কর্মকর্তারা বলেন, আমাদের চাকরিচ্যূত করা হয়েছে, কারণ আমাদের দাবি ছিলো এনপিসিবিএলকে ফাংশনাল করা, আমরা নিজেরাই চেয়েছিলাম প্লান্ট অপারেশন ও মেইনটেনেন্স করতে, দাবি করেছিলাম কোম্পানির উচ্চ পদে নিজস্ব জনবল নিয়োগ দিতে। আমরা যা চেয়েছি তা নিতান্তই মানবিক’ ফ্যাসিলিটি। যেমন টয়লেট, বসার জায়গা, যাতায়াতের ব্যবস্থা, সার্ভিস রুলস। এছাড়া, কাজের জন্য কম্পিউটার, অপারেশন প্রস্তুতি হিসেবে স্পেয়ার পার্টস ঠিকাদার হতে বুঝে নেয়া, কমিশনিং টেস্ট পাই টু পাই বুঝে নেয়া এবং একটা ওয়ারহাউজের ব্যবস্থা করা।
অভিযোগের বিষয়ে ড. জাহেদ হাছানের বক্তব্যের জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন অভিযোগে কর্মকর্তাদের চাকরিচ্যুতির ব্যাপারে ড. জাহেদ হাছান বলেছিলেন, নীতিমালা ও চাকরিবিধি অনুযায়ী অব্যাহতিপ্রাপ্তদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর বেশি কিছু বলার নেই।