রিবহন খাতে চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটি বলছে, সড়কে চাঁদাবাজি চলতে থাকায় বাসভাড়া ও পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার চাপ নিম্ন আয়ের মানুষের ওপরই পড়ছে। গতকাল শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পতিত স্বৈরাচারের সময়ে পরিবহনে চাঁদাবাজি শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছেছিল। কতিপয় পরিবহন মালিক শ্রমিক নেতারা আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে, অনেকে শত শত বাসের মালিক হয়েছে। পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তারা এমন চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্য সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়ার কারণে সাধারণ মানুষ এর প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি।’

সমঝোতার চাঁদা: একই যুক্তি অন্য খাতেও প্রয়োগের আশঙ্কা টিআইবিরসমঝোতার চাঁদা: একই যুক্তি অন্য খাতেও প্রয়োগের আশঙ্কা টিআইবির। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বিএনপি সরকারের একজন নতুন মন্ত্রীর এমন বক্তব্য দেশবাসী হতাশ হয়েছে। পরিবহনে চাঁদাবাজির কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের বাসভাড়া বেড়ে যাচ্ছে, পণ্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে সরকারকে বিব্রত করছে।’ সমঝোতায় নেওয়া অর্থ চাঁদা নয়, জোর করলে চাঁদা: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী সমঝোতায় নেওয়া অর্থ চাঁদা নয়, জোর করলে চাঁদা: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী যাত্রী কল্যাণ সমিতি মনে করে, ‘বিএনপি গণমানুষের দল, তাদের পরিবহন মাফিয়াদের প্রতি আনুকূল্য আছে বলে মনে করি না।’