বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে নিহত বাংলাদেশি এস এম তারেকের লাশ ঢাকায় পৌঁছেছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৭ মিনিটে গালফ এয়ারের জিএফ-২২৫০ ফ্লাইটে তার লাশ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক লাশ গ্রহণ করেন। এসময় মৃতের আত্মীয় রিয়াজউদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

গত ২ মার্চ বাহরাইনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় একটি শিপইয়ার্ডে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে নিহত হন তারেক আলী। তিনি দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে বাহরাইনের ‘দ্রাইডক’ নামক একটি শিপইয়ার্ড কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়নে।

তারেকের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়েছে। নিহতের স্বজন মোশাররফ হোসেন বলেন, একটি মাস আমাদের জন্য পাহাড়সম যন্ত্রণার ছিল। লাশটি পাব কি না, তা নিয়ে শঙ্কায় ছিলাম। অবশেষে দেশের মাটিতে তাকে শেষ বিদায় জানাতে পারব, এটাই সান্ত্বনা।

এর আগে বৃহস্পতিবার বাহরাইনের রাজধানী মানামার কানু মসজিদে তারেক আলীর প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রইস হাসান সরোয়ারসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারা এবং বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নেন।