বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জয়পুরহাট জেলা আমীর ডা. ফজলুর রহমান সাঈদের বড় ভাই আজিজার রহমান অসুস্থতাজনিত কারণে ২০ মার্চ সন্ধ্যা পৌণ ৬টায় ৮১ বছর বয়সে ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)। তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র ও ৩ কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে গিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় গ্রামের নিজ বাড়িতে জানাযা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

শোকবাণী: আজিজার রহমানের ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান শোকবাণী দিয়েছেন।

শোকবাণীতে তিনি বলেন, আজিজার রহমান একজন গুণী ও পরহেযগার মানুষ ছিলেন। একজন শুভাকাক্সক্ষী হিসেবে তিনি ইসলামী আন্দোলনের অনেক খেদমত করে গিয়েছেন। আমি তাঁর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

শোকবাণীতে তিনি আরও বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাঁকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন। তাঁর গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করুন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলকে তাঁর জন্য সহজ, আরামদায়ক ও কল্যাণময় করে দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তাঁর শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।

সাকিনা খাতুনের ইন্তিকাল: জামায়াতে ইসলামী ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর পৌরসভার সদস্য (রুকন) ও ইউনিট সভানেত্রী সাকিনা খাতুন ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ১৮ মার্চ ভোর ৫টায় ৬০ বছর বয়সে ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)। তিনি স্বামী, ১ পুত্র ও ৩ কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে গিয়েছেন। ১৮ মার্চ বেলা ২টায় কোটচাঁদপুর পৌরসভা গোরস্থানে জানাযা শেষে তাঁকে সেখানেই দাফন করা হয়েছে।

আবদুল কুদ্দুসের ইন্তিকাল: জামায়াতে ইসলামী বরিশাল জেলার কাজিরহাট থানার সদস্য (রুকন) ও ইউনিয়ন টিম সদস্য আবদুল কুদ্দুস হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গতকাল বেলা ২টায় ৬২ বছর বয়সে ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন)। তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র ও ১ কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে গিয়েছেন। ২১ মার্চ রাত ৯টায় নিজ গ্রামের বাড়িতে জানাযা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

শোকবাণী: সাকিনা খাতুন ও আবদুল কুদ্দুস এর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান শোকবাণী দিয়েছেন।

শোকবাণীতে তিনি বলেন, সাকিনা খাতুন ও আবদুল কুদ্দুস এর ইন্তিকালে আমরা ইসলামী আন্দোলনের ২ জন নিবেদিত প্রাণ দাঈকে হারালাম। তাঁরা ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রচার ও প্রসারে তাঁদের অনেক অবদান রয়েছে। আমি তাঁদের ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

শোকবাণীতে তিনি আরো বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাঁদেরকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তাঁদের কবরকে প্রশস্ত করুন। তাঁদের গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করুন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলকে তাঁদের জন্য সহজ, আরামদায়ক ও কল্যাণময় করে দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁদেরকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তাঁদের শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।