শীত মৌসুমে মাগুরার ফুটপাত, রাস্তার পাশে পিঠার অস্থায়ী দোকান গুলোতে সাধারণ, মধ্যবিত্তসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষের ভিড় বাড়ছে। বিকাল ৪টার পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শীতের পিঠা খেতে মানুষের ভিড় বাড়ে। এসব দোকানে চিতই পিঠা, ভাপাপুলি পিঠা বেশি চলে। তবে শহরের সাধারন মানুষের সবচেয়ে বেশি পছন্দ চিতই পিঠা। এটি কচুর শাগ ঘোটা, সষিয়া বাটা দিয়ে মিশিয়ে খেতে খুবই মজা।

পিঠা বিক্রেতা হামিদা জানান, মৌসুমে আমি শহরের স্টেডিয়াম পাড়ার সংলগ্ন রাস্তায় দীর্ঘদিন পিঠা বিক্রি করে আসছি। এখানে চিতই পিঠ, ভাপা পিঠ বেশি বিক্রি হয়। বিকাল চারটার পর থেকে শুরু হয় আমার দোকানের সাজসজ্জা। এখানে রাত ১০টা পর্যন্ত আমার পিঠা খেতে বিভিন্ন স্থানের সাধারণ মানুষ ভিড় করে। প্রতি খোলা চিতই পিঠা বিক্রি হয় ৩০ টাকা। প্রতি পিচ ভাপা পিঠা বিক্রি হয় ১০ টাকা। প্রতিদিন আমার সাত থেকে আটশত টাকার পিঠা বিক্রি হয়। পিঠা বিক্রেতা হাকিম মোল্লা জানান, আমি শহরের নোমানি ময়দান সংলগ্ন গেট এলাকায় রাস্তার পাশে শীতের পিঠা বিক্রি করে আসছি দশ বছর। এখানে আমি চিতই পিঠ, ভাপা পিঠা, পাটিসাপটা পিঠা, তেলে ভাজা পিঠ বিক্রি করি। প্রতিদিন আমার ১৫ থেকে ১৬০০ টাকার পিঠা বিক্রি হয়।

পিঠার ক্রেতা নাজমুন নাহার রত্না বলেন, আমি মাঝে মাঝে রাস্তার পাশের ফুটপাতের দোকান থেকে পিঠা কিনে বাড়িতে নিয়ে আসি। চিতই পিঠ, ভাপা পিঠা আমাদের গ্যাসের চুলায় ভালো হয় না। তাই ফুটপাতের দোকানগুলোতে এই পিঠাগুলোর স্বাদ সুন্দরও চমৎকার। তাই আমি এই পিঠাগুলো ক্রয় করে আমার পরিবারের জন্য নিয়ে আসি।