বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র এবং কোটা বিরোধী আন্দোলন থেকে সৃষ্ট ফ্যাসিবাদ বিরোধী চব্বিশের জুলাই বিপ্লব একই সূত্রে গাঁথা।
গতকাল বুধবার ডবলমুরিং থানা উদ্যােগে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার’ দীর্ঘ চুয়ান্ন বছরেও বাস্তবায়িত হয় নি। বরং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভুল বয়ান দিয়ে বিভেদের রাজনীতি জিয়ে রেখে ফ্যাসিবাদী শাসনকে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর করা হয়েছিল। অবশেষে কোটা বিরোধী আন্দোলন ফ্যাসিবাদ পতনের একদফা আন্দোলনে পরিণতি লাভ করে। জুলাই সনদকে আইনি মর্যাদা দেয়ার মাধ্যমে ‘বৈষম্যহীন ইনসাফপূর্ণ কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে’ জাতীয় ঐক্য এখন সময়ের বড় প্রয়োজন। ১৯৭০ নির্বাচনের ম্যান্ডেট অস্বীকার করে স্বৈরাচারী আচরণের বিরুদ্ধে
২৬ মার্চ স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। দীর্ঘ দেড় যুগের ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে সৃষ্ট জুলাই বিপ্লব ৩৬ জুলাই তথা ৫ আগষ্ট বিজয় অর্জন করেছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র এবং জুলাই বিপ্লবের টার্গেট অর্জনে নতুন বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে যেতে হবে; এটাই হোক ২০২৬ এর স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার। ডবলমুরিং থানা আমীর ফারুকে আজমের সভাপতিত্বে এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ডবলমুরিং থানার এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা এম এইচ সোহেল সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ
র্যালিটি ডবলমুরিং থানার আগ্রাবাদ বাদামতল জামে মসজিদ থেকে শুরু হয়ে চৌমুহনী এসে শেষ হয়।
জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ আল আরিফের নেতৃত্বে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ইপিজেড থানার উদ্যোগে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ।