নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা : আনন্দ উৎসব মুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে ৪৭ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির। গতকাল বুধবার বেলা ১১ থেকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রার্থীদের উপস্থিতিতে এ প্রতীক বরাদ্দ শুরু করেন। নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে মোট ৪৭ জন প্রর্থীর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে ৭ জন। নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে ৬ জন। নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ১০ জন। নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে ১৪ জন। নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে ১০ জন প্রর্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়।

এসময় প্রার্থীদের সাথে আসা সমর্থকরা জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আনন্দ উল্লাস প্রকাশ করতে দেখা যায়। প্রার্থীরা প্রতীক নিয়ে আসার সাথে সাথে সমর্থকরা হৈ উল্লাস করে। নারায়ণগঞ্জের চারটি আসনে বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী খেজুর গাছ প্রতীক পান।

১০ দলীয় জোট সমর্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র মনোনীত নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনের প্রার্থী এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল-আলামিন পান শাপলা কলি। এছাড়া অন্যান্য দল গুলো নীজ নীজ দলী প্রতীক গ্রহণ করেন।

প্রতীক পাওয়ার পর বিএনপির বিরোহী প্রার্থীরা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ভোটার ও নেতাকর্মীর দাবির প্রেক্ষিতে নির্বাচন করছেন। মনোনয়ন জমাদানের কারণে দল থেকে বহিষ্কার করার বিষয়ে তারা বলেন, দল দলের সিন্ধান্ত নিয়েছে। তবে সবাই এলাকার উন্নয়ন করা সমস্যার সমাদান করবে জানিয়ে প্রশাসনের নিরপেক্ষতার দাবি করেন।

তবে নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ। এ আসনে বিএনপির বিরোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমমান খান আঙ্গুর পেয়েছেন কলস প্রতীক।

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান। এ আসনে বিএনপির বিরোহী প্রার্থী সাবেক মুক্তিযোদ্ধা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম পেয়েছেন ঘুড়া প্রতীক ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ফুটবল প্রতীক।

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে বিএনপির নেতৃত্বধীন জোট প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী খেজুর গাছ প্রতীক। এ আসনে বিএনপির বিরোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ফুটবল প্রতীক, মো: শাহ আলম হরিণ প্রতীক পেয়েছেন। এরই মধ্যে বিএনপির মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও মো: শাহ আলমকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এসময় প্রর্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলা ও এক প্রর্থীর সাথে অপর প্রার্থীর সমস্যা সৃষ্টি হয় এমন কোন কাজ না করার আহ্বান জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী ও জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকমো: রায়হান কবির।

প্রতীক বরাদ্দ শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ রায়হান কবির জানান, ৪৭ জন প্রার্থী প্রার্থী তাদের কাক্সিক্ষত প্রতীক পেয়েছেন। তবে কোন প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে সকলে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানান তিনি।

গাইবান্ধা সংবাদদাতা : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার ৫টি আসনের প্রার্থীর মধ্যে গতকাল বুধবার প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা ৪০ জন প্রার্থীর মধ্যে এই প্রতীক বরাদ্দ করেন। এবার গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ৮ জন, গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে ৭, গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ি) আসনে ১০, গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে ৬ ও গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী (ধানের শীষ), পরমানন্দ দাস (কাঁচি), মোছা. ছালমা আক্তার (কলস), মো. কওছর আজম হান্নু (প্রজাপতি), মো. মাজেদুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), মো. মোস্তফা মহসিন (ঢেঁকি), মো. রমজান আলী (হাত পাখা), শামীম হায়দার পাটোয়ারী (লাঙ্গল)।

গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে আহসানুল হাবীব সাঈদ (কাঁচি), মিহির কুমার ঘোষ (কাঁস্তে), মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ (হাত পাখা), মো. আনিসুজ্জামান খান বাবু (ধানের শীষ), মো. আব্দুর রশীদ সরকার (লাঙ্গল), মো. আব্দুল করিম (দাঁড়িপাল্লা) মো. শাহেদুর রহমান (কলম)।

গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ি) আসনে অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক (ধানের শীষ), আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি (ঘোড়া), মইনুর রাব্বী চৌধুরী (লাঙ্গল), মো. আজিজার রহমান (ঢেঁকি), মো. আব্দুল্লাহ আদিল (কাঁস্তে), এটিএম আওলাদ হোসাইন (হাত পাখা), মো. মনজুরুল হক (কলম), মো. মোছাদ্দিকুল ইসলাম (আপেল), মো. সুরুজ মিয়া (ট্রাক)।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে কাজী মশিউর রহমান (লাঙ্গল), মোহাম্মদ শামীম কায়সার (ধানের শীষ), মো. আতোয়ারুল ইসলাম (কোদাল), আব্দুর রউফ আকন্দ (মোটর সাইকেল), আব্দুর রহিম সরকার (দাঁড়িপাল্লা), সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন (হাত পাখা)।

গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে এএইচএম গোলাম শহীদ রঞ্জু (মোটরসাইকেল), নাহিদুজ্জামান নিশাদ (হাঁস), মোছা. রাহেলা খাতুন (কাঁচি), মো. আজিজুল ইসলাম (হাত পাখা), মো. আব্দুল ওয়ারেছ (দাঁড়িপাল্লা), ফারুক আলম সরকার (ধানের শীষ), শামীম হায়দার পাটোয়ারী (লাঙ্গল), শ্রী নিরমল (কাঁস্তে), হাসান মেহেদী বিদ্যুৎ (ঘোড়া)।

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) : গতকাল বুধবার মুন্সীগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে মুন্সীগঞ্জ-০১ আসন (সিরাজদিখান ও শ্রীনগর) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন মাওলানা এ.কে. এম ফখরুদ্দীন রাজী।

প্রতীক বরাদ্দ শেষে মাওলানা এ.কে. এম ফখরুদ্দীন রাজী বলেন, মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, মুন্সীগঞ্জ-০২ আসনে শাপলা কুঁড়ি প্রতীকে এনসিপি এবং মুন্সীগঞ্জ-০৩ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা মার্কায় ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীরা গতকাল প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে নিজ নিজ আসনে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা জনগণের অধিকার আদায়ে ও তাদের কল্যাণে লড়াই করবো। জনগণ বিপুল ভোটে আমাদের জয়যুক্ত করবেন ইনশাআল্লাহ। এই তিন প্রার্থীর হাত ধরেই আগামী দিনে মুন্সীগঞ্জের সার্বিক উন্নয়ন সাধিত হবে। আমরা এ অঞ্চলে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়-ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাব- ইনশাআল্লাহ।

এ সময় তিনি মুন্সীগঞ্জ-০১ আসনের সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন। প্রতীক বরাদ্দ উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য জোটের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা আনন্দ মিছিল করেন। প্রতীক বরাদ্দের খবরে সিরাজদিখান ও শ্রীনগর এলাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া চুয়াডাঙ্গার দুুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৬ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ কামাল হোসেন

গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রতীক বরাদ্দ দেন। প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের প্রস্তাবক সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষণা অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ পেয়েছেন ধানের শীষ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম পেয়েছেন হাতপাখা প্রতীক।

অপরদিকে, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু পেয়েছেন ধানের শীষ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী রুহুল আমিন পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী হাসানুজ্জামান সজীব পেয়েছেন হাতপাখা প্রতীক।

প্রতীক বরাদ্দ শেষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে সকল প্রার্থীকে মেনে চলতে হবে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা তৎপর রয়েছে।

মেহেরপুর সংবাদদাতা : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ মেহেরপুর- মুজিবনগর ১ আসনের ৭৩-১ সংসদীয় আসনের প্রতীক বরাদ্দ করেছেন জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির। মুজিবনগর ১ আসনের সংসদীয় আসনে ৩ জন প্রার্থী জাতীয়তাবাদী মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি মাসুদ অরুণ ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মেহেরপুর জেলা জামায়াতে আমীর মাওলানা তাজ উদ্দিন খান দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টি আব্দুল হামিদ নাঙ্গল, পথিক বরাদ্দ করেন। মেহেরপুর (৭৪ -২ গাংনী) সংসদীয় আসনে তিনজন প্রার্থীহাতে পথিক বরাদ্দ করেন তারা হলেন আমজাদ হোসেন সাবেক এমপি ধানের শীষ, জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী জেলা সুরা ও কর্ম পরিষদের সদস্য কমিটির নাজমুল হুদা দাঁড়িপাল্লা , জাতীয় পার্টির নাঙ্গল প্রতীক আব্দুল বাকী বরাদ্দ্য করেন। প্রতীক বরাদ্দ শেষ জেলা রিটার্নিল কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির প্রার্থীদেরকে নির্বাচনী আচরণবিধি এবং অন্যান্য বিধানগুলো বিধানগুলো মনে করিয়ে দেন। তিনি বলেন ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ফ্রী, ফেয়ার ইলেকশন বাংলাদেশের জনগণকে উপহার দেবেন এই সরকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেনন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তাগণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর, বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা সময় উপস্থিত ছিলেন।

নড়াইল সংবাদদাতা : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইলের দু’টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৫ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেন।এ সময় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহা: আ: ছালেকসহ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা রিটার্নিং কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নড়াইল-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী বিশ^াস জাহাঙ্গীর আলম ধানের শীষ প্রতীক, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার দাঁড়িপাল্লা প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক বি.এম নাগিব হোসেন কলস প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল আজিজ হাতপাখা প্রতীক, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মিলটন মোল্যা লাঙ্গল প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী লেফট্যানেন্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) এস এম সাজ্জাদ হোসেন ফুটবল প্রতীক ও সুকেশ সাহা আনন্দ ঘোড়া প্রতীক পেয়েছেন।

এছাড়া নড়াইল-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী ড. এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ ধানের শীষ প্রতীক, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আতাউর রহমান বাচ্চু দাঁড়িপাল্লা প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা তাজুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক, জাতীয় পার্টির প্রার্থী খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ লাঙ্গল প্রতীক, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী লায়ন নূর ইসলাম ট্রাক প্রতীক, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী শোয়েব আলী ছড়ি প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: মনিরুল ইসলাম কলস প্রতীক এবং অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন জাহাজ প্রতীক পেয়েছেন।

চাঁদপুর সংবাদদাতা : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো: শাহজাহান মিয়া দাঁড়িপাল্লার প্রতীক গ্রহণ করেছেন।

গতকাল বুধবার দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ নাজমুল ইসলাম সরকার মতবিনিময় সভা ও প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতীক সংগ্রহ উপলক্ষে জেলা রির্টানিং কার্যালয় সামনে সকাল থেকেই চাঁদপুর সদর-হাইমচর এলাকার জামায়াতে ইসলমীর হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত হয়। প্রতীক গ্রহণ শেষ দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী এডভোকেট মো: শাহজাহান মিয়া কে নেতা-কর্মীরা সাথে নিয়ে আনন্দ মিছিল বের করেন।

প্রতীক বরাদ্দ গ্রহণকালে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর শহর জামায়াতের আমীর এডভোকেট মো: শাহজাহান মিয়া, সদর আমীর মাওলানা আফসার উদ্দিন মিয়াজী, শহর সেক্রেটারি বেলায়েত হোসেন শেখ, সদর সেক্রেটারি জুবায়ের হোসেন, ইসলামী ছাত্র শিবিরের চাঁদপুর শহর সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, হাইমচর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন, শহর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম সবুজ, জামায়াত নেতা এডভোকেট মামুন মিয়াজী, আব্দুল হাই লাভলু।

নির্বাচনী প্রতীক গ্রহণ শেষে এডভোকেট শাহজাহান মিয়া বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনে জনগণের কাছে যাব। ইনশাআল্লাহ চাঁদপুরবাসী ন্যায়, ইনসাফ ও সৎ নেতৃত্বের পক্ষে রায় দেবেন।

চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক অ্যাডভোকেট শাহাজাহান মিয়া, বিএনপির প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ধানের শীষ, গণফোরামের সেলিম আকবর উদীয়মান সুর্য, গণঅধিকার পরিষদের জাকির হোসেন ট্রাক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কমরেড জাহাঙ্গীর হোসেন কাস্তে, ইসলামী আন্দোলন মো: জয়নাল আবেদীন হাতপাখা, ইসলামী ফ্রান্ট আহসান উল্যাহ মোমবাতি প্রতীক সহ সাতজন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ সংগ্রহ করেন।