গতকাল বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি হাসিবুল আলম লিটন জানান, কয়েকটি গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে “জামায়াতের ২০ নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন এমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও সাজানো নাটক প্রচার করা হয়েছে। জয়পুরহাট জেলা জামায়াতে ইসলামী এ ধরনের ভুয়া, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার তীব্র নিন্দা এবং কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি যে, উল্লেখিত ব্যক্তিদের কেউই কখনো জয়পুরহাট জেলা জামায়াতে ইসলামী বা এর সহযোগী কোনো সংগঠনের সদস্য, কর্মী কিংবা অনুসারী ছিলেন না। তারা দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপি, কৃষক দল, আইডিয়াল এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত। তাদেরকে জামায়াতের পরিচয় দিয়ে পুনরায় বিএনপিতে যোগদান করানো রাজনৈতিক প্রতারণা, মনগড়া অপপ্রচার ও জনমত বিভ্রান্ত করার একটি নোংরা প্রচেষ্টা।

জামালপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর দেলোয়ার হোসেন বলেন- এটি শুধু মিথ্যাচার নয়, এটি পুরোপুরি সাজানো নাটক। নিজেদের দলীয় মানুষকে জামায়াতের কর্মী সাজিয়ে পুনরায় যোগদান দেখানো রাজনৈতিক অনৈতিকতার চরম উদাহরণ। জয়পুরহাট জেলা জামায়াতে ইসলামী মনে করে- জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এ ধরনের বানোয়াট, মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে বিএনপির কিছু ব্যক্তি রাজনৈতিক সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করছে। এটি একটি পরিকল্পিত অপপ্রচার এবং জামায়াতের বিরুদ্ধে জনমনে বিদ্বেষ তৈরির অপকৌশল।

আমরা পরিষ্কারভাবে ঘোষণা করছি, উল্লেখিত কেউই জামায়াতের কোনো দায়িত্বশীল, সদস্য বা কর্মী নন। “জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগদান” এই দাবি সম্পূর্ণ সাজানো, ভুয়া ও প্রমাণবিহীন। এ ঘটনা রাজনৈতিক শিষ্টাচারবিরোধী, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং জনস্বার্থবিরোধী।

জয়পুরহাট জেলা জামায়াতে ইসলামী স্পষ্টভাবে সতর্ক করছে- ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট ও অপপ্রচারমূলক সংবাদ প্রচার বন্ধ না হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাই যে, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার স্বার্থে সত্যতা যাচাই ছাড়া কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।