স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর : ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষাকে আরও আধুনিক ও কর্মমুখী করার উদ্যোগ নিয়েছে। স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে আইসিটি ও ইংরেজি বাধ্যতামূলক করা, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে শিক্ষার্থীদের উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা প্রদানের সুযোগ বাড়ানো হচ্ছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ মনে করেন, গুণগতমানের পরিবর্তন নিশ্চিত করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বিএড ও এমএড ডিগ্রিধারী শিক্ষকরা। শিক্ষার্থীদের কাছে নতুন সিলেবাস সহজভাবে উপস্থাপন করতে হলে বিএড সিলেবাস আধুনিকায়ন অত্যাবশ্যক। এজন্য তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ—আইইআর এর সহায়তা চান।

রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর ভবনের শহীদ শাদাত আলী কনফারেন্স রুমে বিএড শিক্ষাক্রম সংশোধন ও পরিমার্জনবিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর এ মত প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, সারাদেশের আড়াই হাজার প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর কাছে আধুনিক, কর্মমুখী ও মানসম্মত উচ্চশিক্ষা পৌঁছাতে বিএড ও এমএড প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের দক্ষতাই সবচেয়ে বড় শক্তি। তারা নতুন সিলেবাস কার্যকরভাবে শেখাতে পারলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন অর্জন সম্ভব। আইইআর থেকে সিলেবাস সংস্কারের প্রস্তাব পেলেই তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রফেসর হোসনে আরা বেগমের সভাপতিত্বে আয়োজিত দিনব্যাপী এই কর্মশালায় আইইআর এর শিক্ষক, শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধি, বিভিন্ন টিচার্স ট্রেইনিং কলেজের শিক্ষক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।