রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও রাসিক প্রশাসক খোন্দকার আজিম আহমেদ বলেছেন, কোন টিকা কাউকে জোর করে দেয়া যায় না। যারা এখনও টিকা গ্রহণ করেননি তাদের বোঝাতে হবে এবং টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। পূর্ণাঙ্গ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জনসচেতনতামূলক কাজ অব্যাহত রাখতে হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে রাসিক আয়োজিত জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৫ উপলক্ষে সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার বলেন, টিকা প্রদানে আট বিভাগের মধ্যে রাজশাহী এখনও প্রথম রয়েছে। এটা আমাদের সকলের সম্মিলিত কাজের ফল। টাইফয়েড টিকাদান সফল করতে আমাদের সকলের মধ্যে সমন্বয় অব্যাহত থাকবে। এখন স্কুল পর্যায়ে যেসব শিশু বাদ পড়েছে তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগকে মনিটরিং কার্যক্রম আরও জোরদার করার নির্দেশ দেন তিনি। সভায় রাসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফ.এ.এম আঞ্জুমান আরা বেগম বলেন, ১২ অক্টোবর থেকে স্কুল পর্যায়ে এ টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০ অক্টোবর শেষ হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনে অবস্থিত ৬২১টি স্কুলে ৯৮ হাজার ২৫৫ জন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৯৪ হাজার ১১০ জনকে টিকা প্রদান করা হয়েছে, যা শতকরা ৯৫.৭৮ ভাগ। ১ নভেম্বর থেকে কমিউনিটি পর্যায়ে টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ৪ নভেম্বর পর্যন্ত কমিউনিটিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১৯ দশমিক ২৫ ভাগ অধিক শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে। সমন্বয় সভায় অন্যান্যের মধ্যে রাজশাহী জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক, ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিনিধিগণ, জেলা ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরের দপ্তর প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।