আদমদীঘি (বগুড়া) সংবাদদাতা : বগুড়ার আদমদীঘিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও বিবাদী বিবাদমান সম্পত্তিতে জোড়পুর্বক বিল্ডিং নির্মানের বেইজ ঢালায় কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। আদমদীঘি উপজেলার কড়ই গ্রামে এই ঢালায় কাজ করা হয়। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মামলা সুত্রে জানাযায়, আদমদীঘি উপজেলার কড়ই গ্রামের আবু বক্কর ছিদ্দিকের নিজ নামে কবলা করা কড়ই মৌজায় মোট ২১ শতক সম্পত্তি রয়েছে। উল্লেখিত সম্পত্তিতে জনৈক আফছার আলী ও তার ছেলে জবরদখল করে বাড়ি নির্মাণের চেষ্টা করে। এনিয়ে উভয়ের মধ্যে বিবাদ ও মামলা চলে। উল্লেখিত বিবাদমান সম্পত্তিতে বাড়ি নির্মাণ করতে না পারে সেজন্য আবু বক্কর ছিদ্দিকের বড় ভাই এমজি হজরত আলী বাদি হয়ে প্রতিপক্ষ আফছার আলী ও তার ছেলে জিল্লুর রহমানকে বিবাদী করে গত ২৮ জানুয়ারী বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১৪/১৪৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত বাদির আনীত আবেদনটি আমলে নিয়ে সহকারি কমিশনার (ভুমি) আদমদীঘিকে বাদির আরজির বর্ণিত সম্পত্তি বিষয়ে অনুসরণপূর্বক তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দাখিলের নির্দেশসহ খতিয়ানে রেকডীয় জমির মালিকানা, অবস্থান,স্কেচম্যাপ, বর্তমান ভোগদখল কার সরজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল এবং অফিসার ইনচার্জ আদমদীঘি থানাকে বাদির আরজি বর্ণিত নালিশী সম্পত্তিতে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশ দেন। এদিকে আদালতের নির্দেশনা ও থানা পুলিশের নিষেধ সত্বেও প্রতিপক্ষ গত শুক্রবার বিবাদমান উল্লেখিত সম্পত্তিতে পাকা বাড়ি নির্মানের জন্য বেইজ ঢালায় কাজ করে। বিবাদি জিল্লুর রহমান বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এমন কাগজপত্র আমাদের নিকট না আশায় বেইজ ঢালায় কাজ করা হয়েছে। পরবর্তিতে বাদির এমজি আলী হজরতের থানার শরনাপন্ন হলে ওসি আদালতের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। ফলে নিরুপায় হয়ে বাদি গত ৯ ফেব্রুয়ারী পুনরায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বগুড়া আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালত বাদির আবেদনটি শুনানীঅন্তে পরবর্তি শুনানী পর্যন্ত বিবাদমান সম্পত্তিতে অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে ওসি আদমদীঘি থানাকে আদেশটি বাস্তাবায়নের জন্য নির্দেশ দেন।