কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী আফজাল হোসেন কুমারখালীতে বিশাল গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে। কুমারখালীর ইতিহাসে এমন বিশাল নির্বাচনী গণমিছিল ইতিপূর্বে হয়নি। মিছিলটি অনুষ্ঠিত হওয়ার পর অঅলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছে সর্বত্র।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ১১টায় কয়েক হাজার নেতাকর্মী নিয়ে উপজেলার বাটিকামারা মডেল স্কুল থেকে মিছিণটি শুরু হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে জামায়াতে ইসলামী নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ দলে দলে এসে মিছিলে অংশ গ্রহন করেন। মিছিলটি তরুন মোড় থেকে খোকন মোড়, হল বাজার, গনমোড়, রেল বাজার ও বাসস্ট্যান্ড হয়ে কুমারখালী পৌর টার্মিনালের সামনে এসে শেষ হয়। গণমিছিল শেষে হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
কুমারখালী উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত গণমিছিল ও সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি প্রার্থী, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা নায়েবে আমীর মোঃ আফজাল হোসেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আফতাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি সোহরাব উদ্দিন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য কামরুজ্জামান মিয়া, খোকসা উপজেলা জামায়াতের নআমীর নজরুল ইসলাম, খোকসা উপজেলা নায়েবে আমীর মাওঃ মুরশিদ আলম, কুমারখালী পৌর আমীর এ্যাড: রবিউল ইসলাম প্রমূখ।
কুমারখালী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মামুনুর রশিদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আফজাল হোসেন নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এক সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালী ও খোকসার তাঁতপণ্য বাংলাদেশসহ ইউরোপের বাজারে বেশ কাদর ছিল, কিন্তু সেই শিল্পটি আজ প্রায় ধ্বংসের পথে। আগামী দিনে জামায়াত ক্ষমতায় আসলে কুমারখালীর তাঁত শিল্পকে আধুনিক তাঁতশিল্পে রুপান্তরিত করা হবে।
তিনি আরো বলেন, কুমারখালী ও খোকসায় হাজার হাজার একর জমি জলবদ্ধতায় আটকে আছে। এ সকল জলবদ্ধতা দূর করে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরিত করা হবে। এছাড়াও শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধি করা হবে। নির্মাণের থেকে কয়েকগুন বেশি টোল আদায় হওয়া সৈয়দ মাছ-উদ রুমী সেতুর টোল আদায় বন্ধের জোর দাবি জানান। আগামী দিনে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে জামায়াত ইসলামীর পক্ষে দাঁড়ি পাল্লায় ভোট চান তিনি।