এফ এ আলমগীর, চুয়াডাঙ্গা

১২ ফেব্রুয়ারি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারণা তুঙ্গে এখন দেশের দক্ষিণ চশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত জেলা চুয়াডাঙ্গার ২টি সংসদীয় আসনে। দেশের প্রধান ২টি প্রতিদ্বন্দ্বী জোটের মধ্যে এখানে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হলেও সর্বশেষ বিভিন্ন সমীকরণে এখনো পর্যন্ত উভয় আসনেই জামায়াত প্রার্থীরা এগিয়ে থাকার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এখানকার ২টি আসনেই ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী থাকলেও তাদের তেমন উল্লেখযোগ্য কর্মকান্ড নেই।

চুয়াডাঙ্গা-১

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনটি সদর উপজেলার ছয়টি এবং আলমডাঙ্গা উপজেলার ১৫টিসহ মোট ২১টি ইউনিয়ন, দুটি পৌরসভা ও দুটি থানা নিয়ে এই আসনটি গঠিত। এই আসনে ১৮০টি কেন্দ্রে ৫ লাখ ১১ হাজার ৬৫৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ১৯৭৯ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ কখনো এ আসন থেকে জিততে না পারলেও ২০০৯ সালে তারা প্রথম বিজয়ী হয়। এই আসনটিতে বিএনপি দীর্ঘ দিন অজেয় ছিল। প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা ২০২৪ সাল পর্যন্ত ধরে রাখে। সংগত কারনেই বিএনপি নেতাকর্মীদের আশা, আগামী নির্বাচনে তারা ফিরিয়ে আনবে তাদের হারানো আসন।

আওয়ামী শাসনামলের ১৭ বছর এখানে জামায়াত এবং বিএনপির নেতা কর্মীরা শাসকদের ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হয়ে জেলজুলুমের মুখোমুখী হয়। সে সময় উভয় দল একত্রে আন্দোলন সংগ্রাম করলেও জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বাস্তবতায় ভোটের মাঠে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী উভয়দলের প্রার্থী। স্থানীয় ভোটারদের ধারণা, এক সময়ের মিত্র এ দুদলের মধ্যেই হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তবে ৫ আগস্টের পর চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যাপকহারে চাঁদাবাজি দখলবাজি, টেন্ডারবাজি, হাটঘাট দখল, সর্বত্র আওয়ামী স্টাইলে আধিপত্ত প্রতিষ্ঠার অভিযোগ দলটিকে ব্যাপকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন ¯œাতক ডিগ্রীধারী জেলা বিএনপির সাধারণ স¤পাদক তরুণ নেতা শরীফুজ্জামান শরীফ। জেলা বিএনপির আহবায়ক ও পরবর্তীতে সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু ২০১৮ সালের পর মাঠের রাজনীতিতে অনুপস্থিত থাকায় তিনিই মুলতঃ দুঃসময়ে মাঠে থেকে দল পরিচালনা করেন। আগস্ট বিপ্লবের পর রাজনীতি মূল ছন্দে ফিরে আসলে বিএনপির অন্যান্য নেতাকর্মীদের ন্যায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তীর উঠতে থাকে, যা স্বাভাবিক ভাবেই সাধারন মানুষ ভালোভাবে নেয়নি। এসব অভিযোগ ভোটের মাঠে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মাঠ পর্যায়ে শোনা যাচ্ছে। বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ জানান- তিনি নির্বাচিত হতে পারলে সকলকে সাথে নিয়ে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দেব। আমি আলমডাঙ্গায় একটি বড় হাসপাতাল করতে চাই।

তার বিপরীতে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও চুয়াডাঙ্গা জামায়াতের জেলা সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল। আইনে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রীধারী তরুণ এই সাবেক ছাত্রনেতা ইতিপূর্বে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ন¤্র ও ভদ্র জামায়াত প্রার্থী রাসেল নির্বাচনের মাঠে নামার পর নির্বাচনের সকল সমীকরণ যেন ক্ষণেক্ষণে পরিবর্তন হচ্ছে। ইতিমধ্যে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন ছাড়াও বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের জামায়াতে যোগ দেবার হিড়িক পড়েছে। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও জামায়াতে যোগদেবার সংবাদ স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত হচ্ছে। একদিকে চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্য অপর দিকে জামায়াতের ক্লিন ইমেজের প্রার্থী যেন ১০ দলের বিজয়কে তরান্বিত করেছে। জনাব রাসেল গত ১৬ বছরে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় থেকে বারবার কারা বরণ করেন। আওয়ামী আমলেও তিনি চুয়াডাঙ্গা বারের নির্বাচনে বারবার জয়লাভ করে জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর রাখেন। এ সময় তিনি শুধু জামায়াতেরই নয় বরং বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের নামে আওয়ামী লীগের করা শত শত গায়েবী মামলা বিনামূল্যে পরিচালনা করে মজলুম নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত অমায়িক হিসেবে সর্ব মহলে প্রশংসিত ও পরিচিত এই তরুণ নেতা চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সকল সমীকরণ পাল্টে দিতে পারেন এমনটাই বর্তমানে ফোকাস হচ্ছে। জেলার সবচেয়ে বড় উপজেলা আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থী চেয়ারম্যান ও একসময় ৩টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হওয়ার রেকর্ড রয়েছে। তাছাড়া প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও ইউনিট ভিত্তিক কমিটি গঠনসহ ব্যাপক আকারে প্রচারনা চালিয়ে গণজাগোরণ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। জেলার নির্বাচনী পালে হাওয়া দিয়েছে বর্তমান তারুণ্য নির্ভর চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াত। সবমিলিয়ে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জয়ী হতে তারা শতভাগ আশাবাদী। জামায়াত প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল জানান- তিনি নির্বাচিত হতে পারলে চুয়াডাঙ্গাকে একটি রোল মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চান। তিনি জেলার উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন। জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, আলমডাঙ্গায় একটি ওভার ব্রীজ নির্মাণ, মা ও শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, কৃষকদের বিনা সুদে অর্থ প্রদান, এলাকার অবহেলিত মানুষের উন্নয়নে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা জহুরুল ইসলাম আজিজিকে এখানে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও মাঠে তাদের তেমন তৎপরতা চোখে পড়েনি।

চুয়াডাঙ্গা-২

সদর উপজেলার ৪টি, দামুড়হুদা উপজেলার ৮টি এবং জীবননগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন, দুটি পৌরসভা ও তিনটি থানা নিয়ে গঠিত চুয়াডাঙ্গা-২ আসন। এই আসনে ১৭৪ টি কেন্দ্রে ৪ লাখ ৯২ হাজার ৪৫৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এখানকার বেশিরভাগ ভোটার কৃষি কাজের সঙ্গে স¤পৃক্ত। তবে দর্শনা কেরু এ্যান্ড কো¤পানি ও রেলবন্দরসহ অন্যান্য শ্রমিকের সংখ্যাও কম নয়। এ আসন থেকে ১৯৯১ সালে জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, ১৯৯৬ সালে বিএনপি, ২০০১ সালে চারদলীয় জোট ও ২০০৯ সালের পাতানো নির্বাচনে সামান্য ভোটে জামায়াতকে পরাজিত করে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়ী হয়। এ আসনে ১০ দলীয় জোটের পক্ষে জামায়াতের প্রার্থী কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও জেলা আমীর বিশিষ্ট আয়কর আইনজীবি মোঃ রুহুল আমিন। ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি আইনে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রীধারী তরুণ এই নেতা তার তারুণ্য নির্ভর টিম নিয়ে অপরিসীম শ্রমের আর ত্যাগের বিনিময়ে চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতের রাজনীতিকে কয়েক যুগ এগিয়ে এনেছেন। তার বর্তমান টিমে ডজন খানেক শিবিরের জেলা সভাপতি রয়েছেন। তাদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে জামায়াতের মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম বহুগুনে বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে তারা সাধারণ মানুষের কাছে জামায়াতের কর্মসূচী সফলভাবে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে ফ্যাসিবাদের আমলে পুরা টিমকে প্রায় ২ শতাধিক মামলা, হামলা আর বারবার কারা বরণ করতে হয়েছে। এ আসনটি পূর্ব থেকেই জামায়াত অধ্যুষিত হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে নারী ভোটারদের মধ্যে জামায়াত ব্যাপক কাজ করেছে, সংগঠনের ব্যাপক সংখ্যক কর্মী বর্তমানে নারী। আওয়ামীলীগের বাধা উপেক্ষা করেই ২০১০ সাল থেকে জেলা আমীর রুহুল আমিন এ আসনে কাজ করছেন। ২৯টি মামলা, জেল-জুলুম মাথায় নিয়েই তিনি জেলা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে দাপটের সাথে অবস্থান করে মাঠ গুছিয়েছেন। সংগত কারনেই এ আসনে তিনি বিজয়ী হবেন বলে ধারনা করা হচ্ছে। রুহুল আমিন জানান- এই জনপদের মেঠো পথেই আমার বেড়ে ওঠা। সংগত কারনেই আমার জানা আছে এখানকার মানুষের চাওয়া-পাওয়া। তারা দুমঠো মোটা চালের ভাত আর নিরাপদ জীবন চাই। আমি তাদের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই। বিশেষ করে পশ্চাদপদ কৃষি নির্ভর এই জেলায় একটি কৃষি বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, স্থলবন্দর বাস্তবায়ন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার উন্নয়ন, লুটপাটের রাজনীতি বন্ধ, চুয়াডাঙ্গা-কালীগঞ্জ সড়ক চার লেনে উন্নীত করণ, কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর আধুনিকিকরনের মাধ্যমে দূর্নীতি বন্ধ, পতিত জমি প্রকৃত হকদারদের প্রদান, দর্শনাকে উপজেলায় উন্নীত করণ, একটি সরকারী হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাসহ সার্বিক বিষয়ে কাজ করতে চাই।

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন ¯œাতকোত্তর ডিগ্রীধারী বিজিএমইএ সভাপতি ও জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান ওরফে বাবু খান। শীর্ষ স্থানীয় শিল্পপতি বাবু খান ব্যক্তিগতভাবে সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। জেলা বিএনপির সভাপতি হলেও ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর দীর্ঘ সময় মাঠের রাজনীতিতে তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের ১৭ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা হলেও মাঠের রাজনীতিতে তার অনুপস্থিতির কারনে সম্ভবত তিনি দেশের মধ্যে বিএনপির একমাত্র সৌভাগ্যবান সভাপতি যার বিরুদ্ধে একটি মামলাও হয়নি। সাধারণত তিনি চুয়াডাঙ্গায় আসেন না, তবে নির্বাচন উপলক্ষে বর্তমান নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করছেন। তার দীর্ঘ অনুপস্থিতির সুযোগে জীবননগর ও দামুড়হুদার কতিপয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও দর্শনায় কিছু সমন্বয়কের বিরুদ্ধে ব্যাপকহারে চোরাচালানী, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, টেন্ডারবাজি, হাটঘাট দখলসহ আওয়ামী স্টাইলে আধিপত্ত প্রতিষ্ঠার অভিযোগ ওঠে। এমনকি বিএনপির নেতাকর্মীদের হাতে ইতিমধ্যেই ভিজিএফ ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ভাগাভাগি নিয়ে নিয়ে তিতুদহে ১টি, দামুড়হুদায় ১টি, উথলীতে ২ সহোদরসহ ৪টি হতাহতের ঘটনা বিএনপির ইমেজকে দারুণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। যা বাবু খানের জন্য বর্তমানে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়েছে। ভোটের মাঠে প্রশ্নবিদ্ধ এসব চিহ্নিত নেতাদের ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাওয়া সাধারণ ভোটাররা ভালোাভাবে নিচ্ছে না। তাছাড়া বর্তমানে স্থানীয় বিভিন্ন জনমত জরীপে বিএনপি প্রার্থী ভোটের মাঠে পিছিয়ে আছে। বিএনপি প্রার্থী বাবু খান জানান- তিনি নির্বাচিত হলে এলাকায় কৃষিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠা, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করে কৃষকের পণ্যের নায্য মূল্য প্রদান ও বেকারদের কর্মসংস্থানের জন্য কাজ করতে চাই। আমরা রাস্তাঘাটসহ সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চাই। বিভিন্ন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান- তিনি তার ব্যক্তিগত ইমেজকে কাজে লাগিয়ে ভোটারদের কাছে যাবার চেষ্টা করছেন, বাকিটা ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাসানুজ্জামান সজীবকে এখানে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও তিনি ছেড়ে আসা জোটের বিরুদ্ধে ফেসবুকে সক্রিয় থাকলেও মাঠে রাজনীতিতে তেমন তৎপরতা চোখে পড়েনি।

২২ তারিখ বৃহস্পতিবার থেকেই এখানকার ২টি আসনেই প্রচার প্রচারণা শুরু হয়েছে। এখানকার ভোটাররা দীর্ঘদিন পর এবার একটা সুষ্ঠ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে। সীমান্তবর্তী জেলার মানুষ হিসেবে তারা অনেক সময় অজানা ভয়ে শঙ্কিত থাকে। সংগত কারণেই তাদের প্রত্যাশা তারা নিরাপদে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আবার নিরাপদেই বাড়ি ফিরে আসবেন এবং দেশে একটি কাঙ্খিত সরকার গঠন হবে।