ঢাকার যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে পুলিশ। মাহিম মিয়া (১৫) নামের ওই শিক্ষার্থী মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে পড়তেন। রোববার রাত ১০টার দিকে কাজলা স্কুল গলিতে হামলার শিকার হন তিনি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মাহিমের লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

নিহতের বন্ধু রায়হান জানান, রাতে কাজলায় একজনের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিল মাহিম। স্কুলের গলিতে ১০ থেকে ১২ জন তাকে ছুরিকাঘাত করে। মাহিমের বাবার নাম দ্বীন ইসলাম। তিনি ফলের ব্যবসা করেন। কাজলা এলাকায় তাদের বাসা। গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদরে।

জগন্নাথের ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার : পুরান ঢাকার ধুপখোলা এলাকার একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইমরান নাবিল প্রামাণিক নামের ওই তরুণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানায়।

গতকাল সোমবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে ধূপখোলা এলাকার একটি ভবনের ছয় তলার একটি মেস থেকে তার লাশ উদ্ধার করার কথা জানিয়েছেন গেন্ডারিয়া থানার ওসি গোলাম মর্তুজা। তিনি বলেন, রুমমেটদের দেওয়া তথ্যে আমরা সেখানে গিয়ে ফ্যানের সাথে গামছায় পেছানো অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করেছি। তার পরিবারের লোকজনের সাথে কথা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, এটা আত্মহত্যা। তার দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। আমরা পরিবারের সাথে কথা বলে জেনেছি, সে মানসিক অবসাদগ্রস্থ ছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, ইমরানের মৃত্যুর খবর শুনে তারা থানায় যান। তারা ৩ জন মেসে একসাথে থাকতো। দুজন নির্বাচনের জন্য বাড়িতে গিয়েছিল। সে বাসায় একাই ছিল।

ইমরানের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করবে পুলিশ।