মো. আবদুর রব, বরগুনা : বরগুনা জেলা জামায়াতের আমীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বরগুনা-১ আসনে জামায়াত মনোনীত আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন। বরগুনা সদর আমতলী ও তালতলী নিয়ে এ আসন। বরগুনা-১ আসনে বিগত দিনে যারা ইসলামী দল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। অতীতের ভোট পাওয়ার মধ্যে থেকে তাদের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা স্পষ্ট হয়েছে। বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাচনে মাওলানা অধ্যাপক মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের সময় কারাগরে থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন। জনমত পক্ষে নেওয়ার জন্য অনেক আগ থেকেই নির্বাচক মন্ডলীর মধ্যে জামায়াতের কাজ চলছে নির্বাচনী বহুমুখী কৌশালে। নারী কর্মী, রোকন ও সমাজের উচ্চ শিক্ষিত মহিলারাও মাঠে তৎপর এ প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে। এবার ভোট দেওয়ার নারীদের মধ্যে ভোট বাড়ছে দাড়ি পাল্লার। বরগুনা সদর আমতলী তালতলীর প্রতিটি গ্রামে ও শহরের বাজার গুলোতে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে জামায়াতের এ নেতার সমর্থকরা। এক্ষেত্রে মহিলা অঙ্গনে প্রধান ভূমিকায় অবতীর্ণ জামায়াতের মহিলা বিভাগের কর্মীরা। অমুসলিম ভোটারদেরকেও সংগঠিত করেছে জামায়াত। ইতিমধ্যেই তাদের নিয়ে জামায়াত সভা সমাবেশ করেছে ঘরোয়া ও প্রকাশ্যে।
বরগুনা-১ আসনটিতে বিএনপি তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে এবং বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ। তিন দলের প্রার্থীর মধ্যে ভোটের সমীকরণে এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার রিপোর্টে সবথেকে এগিয়ে রয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা মুহিবুল্লাহ হারুন যিনি ২০১৪ সালে ৪৬ হাজারের ও বেশি ভোট পেয়ে কারারুদ্ধ অবস্থায় বরগুনা সদর উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। যে কারণে পূর্ব থেকেই সর্বস্তরে তার সাথে রয়েছে গভীর সম্পর্ক। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় অমুসলিমসহ আলেম ও ওলামাদের মধ্যে তার রয়েছে একটি নিজস্ব ভোট ব্যাংক। বিএনপি ও বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীদের যা আদৌ নাই। বরগুনা-১ আসনের নির্বাচক ম-লীর মধ্যে এই জনশ্রুতি সর্বত্র। ভোটের লড়াইয়ের সমীক্ষায় দাড়ি পাল্লার প্রার্থী অনেক অনেক এগিয়ে। সমাজ সচেতন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে অধ্যাপক মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন ছাড়া বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন বা খেলাফত মজলিসের কোন প্রার্থীকে আট দলীয় নির্বাচনী জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করলে এ আসনে জোটের প্রার্থী হারাবার সম্ভাবনা রয়েছে।