জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, সিলেট জেলা আমীর ও সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে জামায়াত ও ১০ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেছেন, শাহপরান (র.) এলাকা সিলেট সিটির অন্তর্ভুক্ত হলেও মানুষ এখনো সিটির সুবিধাদি পায়নি। এলাকাগুলো এখনো অবহেলিত, মিলেনি সাপ্লাইর পানিসহ অন্যান্য নাগরিক সুবিধা। ফলে এলাকা গ্রামাঞ্চলের মতোই অনুন্নত রয়ে গেছে। আমি যদি নির্বাচিত হই ও জামায়াত জোট ক্ষমতায় যায় এসব এলাকাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কার্যকর উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, বৃহত্তর শাহপরান এলাকায় অতীতে অনেক প্রতিনিধিই এসেছিলেন। কিন্তু তারা জনগণের জন্য কার্যত কোন উন্নয়ন করতে পারেন নি। অবিচার আর বৈষম্যের কবলে পড়ে এলাকাটি থমকে আছে। কিন্তু আর কতকাল? আমরা কি এই অনুন্নত জীবন নিয়েই পড়ে থাকব? না, আমাদের পরিবর্তনের সময় এসেছে। ‘দাঁড়িপাল্লা’ কেবল একটি প্রতীক নয়, এটি সুবিচার, সাম্য এবং ন্যায়ের প্রতীক। আপনারা যদি আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে আমাকে বিজয়ী করেন। আপনাদের উন্নয়নের জন্য যা যা করা দরকার, আমি দ্রুততম সময়ের মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সব ব্যবস্থা করবো।
তিনি রোববার সকালে সিলেট নগরীর শাহপরান (র.) থানা এলাকায় দাঁড়িপাল্লা মার্কার সমর্থনে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন। এসময় শাহপরান (র.) গেইট থেকে মাজার পর্যন্ত প্রচার মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে ওই এলাকা ও রবিরবাজারে গণসংযোগ করেন মাওলানা হাবিবুর রহমান। প্রচারমিছিলে ‘হাবিব ভাইয়ের দাড়িপাল্লা; সব দেখেছি বারবার, দাঁড়িপাল্লা এইবার; তারুণ্যের প্রথম ভোট, দাঁড়িপাল্লায় হোক; আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই; দাঁড়িপাল্লা , দাঁড়িপাল্লা’ বলে স্লোগান দেন তারা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- শাহপরান (র.) থানা জামায়াতের আমীর শামীম আহমদ, নায়েবে আমীর মাওলানা ফয়জুর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা সাইফুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি মনজুর রহমান ও শাহ মাহমুদুল হক, সমাজসেবী আমিনুল ইসলাম মাহমুদ, আব্দুল জলিল, মাহবুবুর রহমান, রাশিদ আহমদ চৌধুরী, সেলিম উদ্দিন, হাবিবুর রহমান, হিফজুল হক, দেলোয়ার হোসেন, সিলেট মহানগর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম সাজু, সাহিত্য সম্পাদক নাঈম হোসাইন, প্রচার সম্পাদক এনামুল ইসলাম, এমসি কলেজ সভাপতি ইসমাঈল খান, সরকারি কলেজ শিবির সভাপতি আবু তাহের মিসবাহ, শাহপরান পূর্ব শিবিরের সভাপতি আশরাফ আহমদ ও পশ্চিমের সভাপতি রেদ্বওয়ান হোসাইন প্রমুখ।