খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা : খাগড়াছড়ির জেলা সদরের কলাবাগান এলাকার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ সময় আগুনে পুড়ে নুরুল আলম নামে এক বাড়ি ওয়ালা আহত হয়েছে।
গত ২৬ জানুয়ারি দুপুরের দিকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিসের উপ পরিচালক জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত রওয়ানা দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই।তিনি জানান, এ আগুন বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আগুন লাগার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, রেড ক্রিসেন্ট এবং স্থানীয়রা সম্মিলিতভাবে আগুন নেভাতে এগিয়ে আসেন।
এসময় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন, খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মিনহাজুর রহমান, জামায়াতের শহর সভাপতি মো. ইলিয়াসসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা। জামায়াত নেতৃবৃন্দ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সম্ভাব্য সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) : কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বাঙ্গড্ডা পশ্চিম বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। আগুনে পুড়ে গেছে ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের সঞ্চয় ও স্বপ্ন। বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার সকাল ১১টার দিকে এ অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে।
অগ্নিকাণ্ডের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শাহজাহান ট্রেডার্স। প্রতিষ্ঠানটির পার্টস দোকান ও মোরগের দোকান সম্পূর্ণভাবে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় তার দোকানে থাকা নগদ প্রায় ২০ লাখ টাকা সহ প্রায় ৭০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
এছাড়াও ভুট্টু মিয়ার ফার্নিচার দোকান আগুনে পুড়ে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। মোজাম্মেল লাইটিং হাউজ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ টাকা। খাজা নেছারিয়া হোটেলে আগুনে পুড়ে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম থেকে ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুনে প্রায় সব ভস্মীভূত হয়ে যায়।
চান্দিনা (কুমিল্লা) : কুমিল্লার চান্দিনায় অগ্নিকাণ্ডে প্রবাসীর বসত ঘর পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। গত ২৫ জানুয়ারি দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার কালেমসার গ্রামের ওমর আলীর ছেলে কালামের বাড়িতে ওই ঘটনা ঘটে।
আগুনের তাপে পাশের ঘরের শরীফ ঘুম থেকে উঠে আগুন দেখে মসজিদের মাইকে আগুনের বিষয়ে ঘোষণা করা হয়। এরপর এলাকাবাসী এসে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে আগুনে পুড়ে যায় কালামের ঘর।
কালামের পিতা ওমর আলী জানান, রাত আনুমানিক তিনটার সময় বাড়ির লোকদের চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হয়ে দেখি আমার ছেলের ঘর আগুন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমার ছেলে প্রবাস জীবনের ১০ বছরে যা আয় রোজগার করেছে সব এই ঘরের ভিতরে ছিল, কালামের বউ বাচ্চা এখন পড়ার মত একটি কাপড়ও নাই সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।