বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের এ আর খান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে অবস্থিত এ আর খান বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত ৫ তারিখ রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডে বাজারের ১০টি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারদের সূত্রে জানা যায়, বাজারের নাইট গার্ড ফোন করে আগুন লাগার খবর দিলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও দেরিতে আসায় আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে ফায়ার সার্ভিসের প্রচেষ্টায় একটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পায়। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৫০ লক্ষাধিক টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদাররা হলেন, মুদি দোকানী দেলোয়ার হোসেন ও রেজভী, স্টেশনারি দোকানী জালাল খান, চা বিক্রেতা তপন পাল, হেলাল, ইলেকট্রনিক ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন, রেজাউল করিম রানার ফার্মেসী ও শচীন শীলের সেলুন।
খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান জামায়াতে ইসলামী বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রতি সমবেদনা জানান।
এ সময় তিনি বলেন, আগুনে পুড়ে গেলে ছাই ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। আপনারা ধৈর্য ধারণ করুন। আল্লাহ হয়তো এর বিনিময়ে আপনাদের জন্য ভালো কিছু রেখেছেন। যা আছে তা দিয়েই আবার নতুন করে ব্যবসা শুরু করুন। আমরা আপনাদের পাশে আছি, আমাদের নেতাকর্মীরাও আপনাদের সহায়তায় থাকবে। “আমি আগেও দেখেছি, যাদের ঘরবাড়ি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়ে গেছে, আল্লাহ তাদের আরও ভালোভাবে দাঁড় করিয়েছেন। কাঁচা ঘর পাকা হয়েছে, দালান বহুতল হয়েছে।”
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগর আমির অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমান, মহানগর কর্মপরিষদের সদস্য মোঃ শামীম কবির, সদর উপজেলা আমির মাওলানা শফিউল্লাহ তালুকদার, ওলামা বিভাগের সেক্রেটারি মাওলানা সোহরাব হোসন, চরকাউয়া ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আব্দুল আলীম।
এসময় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয় এবং নেতৃবৃন্দ ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং দ্রুত পুনর্বাসনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।