কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা: কলারোয়ায় ঘেরের ভেড়িতে সব্জি চাষে কৃষিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। বাড়তি আয়ে চাষিরা লাভবান হচ্ছে। মাছের ঘেরের চারপাশে ঝুলছে লাউ, করলা, শিম আর উচ্ছে। আবার এর মধ্যে রয়েছে বেগুন ,ঝাল, খিরাই সহ নানা শাক সবজি। ঘেরের ভেড়ি যেন এক সবুজের সমারোহ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কলারোয়ার বিভিন্ন মাছের ঘেরের ভেড়িতে সব্জি চাষের এ দৃশ্য। চাষিরা মাছ চাষের পাশাপাশি সব্জি চাষের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। বাড়তি আয়ের উৎস হিসেবে ঘেরের ভেড়ি ব্যবহার করছে। মৎস্য ঘেরের উপর জাল দিয়ে মাচা বানিয়ে নানা ধরনের সবজি চাষ করা হয়েছে। মাচায় পানির উপর ঝুলছে লাউ, কুমড়া, ঝিঙে। আর ঘেরের ভেড়িতে রয়েছে বেগুন, ঝাল, খিরাই, পটল। তার ফাঁকে ফাঁকে রয়েছে লালশাক পুঁইশাক, পালংশাক, মুলাশাক ও বাঁধাকপি।
উপজেলার শাকদাহ গ্রামের মৎস্য চাষী বাবলুর রহমান জানান, আমরা এখন মাছ চাষের পাশাপাশি সব্জি চাষ করে লাভবান হচ্ছি। এতে করে মাছ চাষে ঝুঁকি কমায়। রাতে ঘের পাহারা দেয়ার জন্য লোক রাখা আছে। দিনের বেলায় সে সব্জির পরিচর্যা করে। ফলে এ থেকে উৎপাদিত সবজি বাজারে বিক্রি করে সাশ্রয়ী হওয়া যায়। ঘেরের বেড়িতে সব্জি চাষে সার ও কীটনাশক কম লাগে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে শীতকালীন সবজির লক্ষমাত্রা ১৯০৫ হেক্টর জমি। এবার চাষ হয়েছে ১৬৫০ হেক্টর জমিতে।এর মধ্যে ঘেরের ভেড়িতে চাষ হয়েছে ৭০ হেক্টর। উপজেলা কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ জিয়াউল হক বলেন, ঘেরের বেড়িতে সবজি চাষ ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এতে কৃষকের বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। মাছ ও সবজি দুটো একসাথে করলে ঝুঁকি কমে যায়।