দীর্ঘ ১৭ বছর পর এক নতুন ভোরের সাক্ষী হলো বাংলাদেশ। জেন-জেড বা ‘প্রজন্ম জেমিনি’র হাত ধরে যে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল, আজ তার প্রতিফলন ঘটছে ব্যালট পেপারে। ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ ছায়া মাড়িয়ে প্রথমবার ভোট দিতে আসা তরুণদের চোখে-মুখে এখন বিজয়ের আভা আর আগামীর দায়বদ্ধতা।

সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোর দীর্ঘ সারিতে চোখে পড়ছে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। যেখানে বয়োজ্যেষ্ঠদের পাশাপাশি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে হাজারো তরুণ-তরুণী। এদের বিশাল একটি অংশ ‘ফার্স্ট টাইম ভোটার’। আবু সাঈদ আর মুগ্ধদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীন পরিবেশে নিজেদের প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে তারা আবেগাপ্লুত।

মোঃ রিয়াজুল ইসলাম অনিক

শিক্ষার্থী খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়

ভোট দেওয়ার দিনটি আমার কাছে ছিল গভীর অনুভূতির। আমাদের ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ ছিল শান্ত ও সুষ্ঠু, যা নাগরিক হিসেবে আমাকে আস্থা দিয়েছে। আমি পরিবারসহ কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছি, এই অভিজ্ঞতা আরও অর্থবহ হয়ে উঠেছে। ব্যালটের সামনে দাঁড়িয়ে শহিদ ওসমান হাদী, শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ মুগ্ধসহ হাজারো জুলাই শহীদ ও জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কথা মনে পড়ছিল। তাঁদের ত্যাগের কারণেই আজ আমরা নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারছিÑএই উপলব্ধি আমাকে গভীরভাবে দায়বদ্ধ করে তোলে।