লালমনিরহাট সংবাদদাতা
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) লালমনিরহাট জেলা আয়োজিত ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে লালমনিরহাট ৩ আসনের ৬ জন প্রার্থী একমঞ্চে উপস্থিত।
গতকাল শনিবার লালমনিরহাট রেলওয়ে মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গনে ‘একটি রাষ্ট্রে নাগরিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদ নেই’ ওই স্লোগানকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে প্রার্থীদের নিয়ে ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
লালমনিরহাট-৩ আসনের ৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এতে অংশ নেন এবং ভোটারদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী ওই অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা নিজেদের ইশতেহার ও উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।প্রার্থীরা হাতে হাত ধরে সুষ্ঠু নির্বাচনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
জেলা সুজনের সভাপতি আমিনুল হায়াত মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সুজন জেলা কমিটির উপদেষ্টা গেরিলা লিডার ড. এস এম শফিকুল ইসলাম কানু। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুজনের রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়কারী রাজেশ দে।
লটারির মাধ্যমে নির্ধারিত ক্রমিক অনুযায়ী প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এ্যাভোকেট আবু তাহের বলেন, নির্বাচিত হলে মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবো। প্রতিটি ইউনিয়নে অবকাঠামো গত উন্নয়নের পাশাপাশি ডিজিটাল সুবিধাসহ স্মার্ট স্কুল ও কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করবো। কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে কৃষকদের স্বার্থে ধান, ভুট্টা, আলুসহ সবজির ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে একটি ‘কৃষক বাজার’ স্থাপন করা হবে।
বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, আপনারা জানেন, আমি ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ গড়ার আন্দোলন করছি। মাদক, যৌতুক ও বাল্য বিবাহ সহ ১৩টি সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমি কঠোর অবস্থানে রয়েছি। কারণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও সমাজে শান্তি না থাকলে তা অর্থহীন। রেলওয়ের ঐতিহ্যবাহী ওই শহরটি পুরোনো হলেও আধুনিক শহরের মর্যাদা পায়নি। নির্বাচিত হলে লালমনিরহাটকে আধুনিক শহরে রূপান্তর করার পরিকল্পনা আমার রয়েছে।