গাজীপুরের টঙ্গীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারের মুক্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরের সামনে ব্যতিক্রমী মানবপ্রাচীর গড়ে তোলেন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলগামী পথে এ ঘটনা ঘটে।

সকাল থেকেই টঙ্গীর বিআরটি প্রকল্পের উড়াল সড়কের স্টেশন রোড এলাকাসহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুই পাশে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান নেন বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। সকাল প্রায় পৌনে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর সেখানে পৌঁছালে তারা স্লোগানের মাধ্যমে এলাকা সরব করে তোলেন এবং একপর্যায়ে মানবপ্রাচীর তৈরি করে গাড়িবহরের গতি ধীর করে নিজেদের দাবি তুলে ধরেন।

এ সময় উপস্থিত জনতার স্লোগান ও অবস্থানের কারণে এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নেতাকর্মীরা দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী নূরুল ইসলাম সরকারের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং দ্রুত তাকে মুক্তি দিতে হবে।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার। তিনি বলেন, তার ভাই নূরুল ইসলাম সরকার দীর্ঘদিন ধরে অন্যায়ভাবে কারাগারে রয়েছেন এবং তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে তারা এই কর্মসূচি পালন করছেন। ঘটনাস্থলে নূরুল ইসলাম সরকারের ছেলে সরকার শাহনূর ইসলাম রনিসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর টাঙ্গাইল সফরকে ঘিরে সকাল থেকেই গাজীপুরজুড়ে নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মহাসড়কের টাঙ্গাইলমুখী অংশে দাঁড়িয়ে অনেকেই শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি দলীয় দাবিও তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর বহরে থাকা একটি বিশেষায়িত যান থেকে তিনি হাত নেড়ে উপস্থিত জনতাকে শুভেচ্ছার জবাব দেন।

নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নূরুল ইসলাম সরকার প্রায় ২৩ বছর ধরে সাবেক এমপি আহসান উল্লাহ হত্যা মামলার রায়ে কারাবন্দী রয়েছেন, যা স্থানীয়ভাবে ক্ষোভ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে এবং তার মুক্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ৭ মে টঙ্গীর নোয়াগাঁও স্কুল মাঠে আওয়ামী লীগ নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিচারিক আদালত ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ২০১৬ সালের ১৫ জুন রায়ে কয়েকজনের দণ্ড বহাল রাখেন, কয়েকজনের দণ্ড পরিবর্তন করেন এবং ১১ জনকে খালাস দেন। বর্তমানে মামলাটি সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

গাজীপুরের টঙ্গীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারের মুক্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরের সামনে ব্যতিক্রমী মানবপ্রাচীর গড়ে তোলেন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলগামী পথে এ ঘটনা ঘটে।

সকাল থেকেই টঙ্গীর বিআরটি প্রকল্পের উড়াল সড়কের স্টেশন রোড এলাকাসহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুই পাশে ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান নেন বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। সকাল প্রায় পৌনে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর সেখানে পৌঁছালে তারা স্লোগানের মাধ্যমে এলাকা সরব করে তোলেন এবং একপর্যায়ে মানবপ্রাচীর তৈরি করে গাড়িবহরের গতি ধীর করে নিজেদের দাবি তুলে ধরেন।

এ সময় উপস্থিত জনতার স্লোগান ও অবস্থানের কারণে এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নেতাকর্মীরা দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী নূরুল ইসলাম সরকারের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং দ্রুত তাকে মুক্তি দিতে হবে।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার। তিনি বলেন, তার ভাই নূরুল ইসলাম সরকার দীর্ঘদিন ধরে অন্যায়ভাবে কারাগারে রয়েছেন এবং তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে তারা এই কর্মসূচি পালন করছেন। ঘটনাস্থলে নূরুল ইসলাম সরকারের ছেলে সরকার শাহনূর ইসলাম রনিসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর টাঙ্গাইল সফরকে ঘিরে সকাল থেকেই গাজীপুরজুড়ে নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মহাসড়কের টাঙ্গাইলমুখী অংশে দাঁড়িয়ে অনেকেই শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি দলীয় দাবিও তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর বহরে থাকা একটি বিশেষায়িত যান থেকে তিনি হাত নেড়ে উপস্থিত জনতাকে শুভেচ্ছার জবাব দেন।

নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নূরুল ইসলাম সরকার প্রায় ২৩ বছর ধরে সাবেক এমপি আহসান উল্লাহ হত্যা মামলার রায়ে কারাবন্দী রয়েছেন, যা স্থানীয়ভাবে ক্ষোভ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে এবং তার মুক্তির মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ৭ মে টঙ্গীর নোয়াগাঁও স্কুল মাঠে আওয়ামী লীগ নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বিচারিক আদালত ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ২০১৬ সালের ১৫ জুন রায়ে কয়েকজনের দণ্ড বহাল রাখেন, কয়েকজনের দণ্ড পরিবর্তন করেন এবং ১১ জনকে খালাস দেন। বর্তমানে মামলাটি সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।