চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা : হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে ঘুষের টাকা নেওয়ার ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ায় জনমনে বেড়েছে হতাশা।চুনারুঘাট সাবরেজিষ্ট্রার অফিস যেন দুর্নীর্তির আখড়া।টাকা ছাড়া হয়না কোন কাজ সম্পাদন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, অফিস সহকারী “সঞ্চিতা দেব” একজন সেবা গ্রহিতার কাছ থেকে কয়েকটি ১০০০ ও ৫০০ শত টাকার নোট হাত বাড়িয়ে নিয়ে টেবিলের নিচে গুনছেন।এসময় সঞ্চিতার আরেক সহকর্মী তাকে সতর্ক করলে সে তড়িঘড়ি করে বাম হাত থেকে টাকাগুলো ডান হাতে নিয়ে লোকানোর চেষ্টা করেন।সোমবার(১৭ মার্চ) দুপুর প্রায় দুইটার দিকে ঘটে এমন লঙ্কাকাণ্ড। সেই লঙ্কাকান্ডের ২৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও মুহুর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় নানা আলোচনা সমালোচনার ঝড়।ফেসবুক ব্যবহারকারী এসএফ ফয়সল মিয়া নামের একজন ভিডিও পোস্টের মন্তব্যের ঘরে লিখেন,চুনারুঘাট সাবরেজিষ্ট্রার অফিস একটি দুর্নীতির জায়গা।এমডি সাইফুর রহমান নামে আরেকজন লিখেন, এই দপ্তরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি।তোফায়েল আহমেদ লিখেন,দুর্নীতির আখড়া,এদেরকে আইনের আওতায় আনা হউক।শাওন খান লিখেন,তাদের টাকা না দিলে দলিল সম্পাদন হয় না।এম সাজিদুর রহমান লিখেন,এরা ঘুষ দুর্নীতির কারিগর।এমডি আরিফুল ইসলাম আরমান লিখেন, এগুলো ওদের নিত্যদিনের কারবার।পিজোশ কান্তি বলেন,এদের লজ্জা নেই। নারীরা যখন দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়লো তখন জাতির পরবর্তী বংশধর শেষ,কোন সন্দেহ নেই তাতে। চুনারুঘাট সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে সেবা নিতে আসা আজমান মিয়া নামের এক ভোক্তভোগী বলেন,দলিল করতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় এই অফিসে।তাছাড়া দলিল লেখার খরছের বাহিরেও অফিসে দিতে হয় অতিরিক্ত টাকা।
চুনারুঘাট সাব রেজিষ্ট্রার অফিস যেন দুর্নীর্তির আখড়ায় পরীনিত হয়েছে।জুলাই বিপ্লবের আগের ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনও বিভিন্ন অফিস আদালতে ঘাপটি মেরে বসে আছে।যারা ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করতে চায় না।একনই তাদের লাগাম না টানলে ঘুষ-বানিজ্যে তারা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবে।ভোগান্তি কমবে না সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের।