নোয়াখালী সংবাদদাতা : নোয়াখালী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও নোয়াখালী ৩ আসনের এমপি প্রার্থী মাওলানা বোরহান উদ্দিন জিরতলি ইউনিয়নে রাজারবাড়িতে খোজ-খবর নিতে গেলে বিএনপির স্থানীয় কেন্দ্র সচিব আব্দুর রব ওনাকে বাঁধা দেয় এবং ওনার সাথে অসম্মানজনক আচরণ করেন। এতে স্থানীয় জনগণ ক্ষিপ্ত হয়। তারা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। পরবর্তীতে আব্দুর রব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে তার গৃহস্থলের সরঞ্জাম নষ্ট করে এবং টাকা চুরি লুটপাটের অপবাদ দিয়ে থানায় মামলা করতে যায়। বিষয়টি একই এলাকার বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইসচেয়াম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর হস্তক্ষেপে মীমাংসা হয়ে যায়। তারপরও বিষয়টিকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়া বা পত্রপত্রিকায় বিবৃতি দেয়াকে উদ্দেশ্যমূলক ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে বিবৃতি প্রদান করেন নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকার, নোয়াখালী জেলা জামাতের সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, নিজেই উদ্দেশ্যমূলক ঘটনাটি ঘটিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া এবং সাংবাদিকদের কাছে জামায়াত ও তার প্রার্থীর ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমরা এতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। কারণ তার কথা অনুযায়ী জামায়াত শিবির তার বাড়ি লুট করেছে, তার সরঞ্জাম নষ্ট করেছে, তার বাড়ি ভাঙচুর করেছে এমন কোনো প্রমাণ সামাজিক মিডিয়ায় তিনি দেখাতে পারেনি।

কোম্পানীগঞ্জ চরকাকড়াতে আগে বিএনপি করতেন পরে জামায়াতের নির্বাচনী কর্মী হয়ে কাজ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তার বিরুদ্ধে তারা নারী ঘটিত ঘটনার অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করে। নারীর এই ধরনের অভিযোগ, জামায়াতের জনপ্রিয়তায় যারা ঈর্শান্বিত তারা এই জনপ্রিয় সংগঠনের সুনাম ক্ষুন্ন করতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছে বলে নেতৃবৃন্দরা মনে করেন।

নোয়াখালী জেলা জামায়াতে আমীর ইসহাক খন্দকার, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আমীর বেলায়েত হোসেন, বসুরহাট পৌর আমীর মাওলানা মোশাররফ হোসেন যৌথ বিবৃতিতে এসকল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ঘটনার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, জামায়াতের জনপ্রিয়তায় ঈর্শান্বিত হয়ে একটি মহল এই ধরণের ঘৃণ্য অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। আমরা জনগণকে এদের বেপারে সজাগ ও সতর্ক থাকতে এবং এদের বয়কট করতে দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহবান জানায়।